ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ ঘটনায় রাজনীতিবিদ থেকে শুরু করে জুলাই আন্দোলনের সতীর্থরা স্তম্ভিত।
শুক্রবার হাদীর অবস্থা আশঙ্কাজনক জানার পর ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিচ্ছেন জুলাই আন্দোলনের সতীর্থরা। এ তালিকায় আছেন সাবকে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলমও।
মাহফুজ আলম লিখেন, "ওসমান হাদির দ্রুত রিকভারি কামনা করছি। সন্ত্রাস আর দুর্বৃত্তায়নের রাজনীতি বন্ধ হোক। সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে সরকারকে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নিতে হবে।"
এদিকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা আবিদুল ইসলাম খান।
শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) বিকেলে তিনি লিখেন, "নির্বাচনকে ঘিরে পতিত স্বৈরাচারের গুপ্ত হত্যার মিশনই আজকের ঘটনা। জুলাইয়ের সহযোদ্ধা ওসমান হাদী ভাইকে মহান আল্লাহ শেফা দান করুন। এই ঘটনার মধ্য দিয়ে অনুধাবন হচ্ছে আমরা কেউই নিরাপদ নই। ইন্টেরিম! পতিত স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করুন।"
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মোটরসাইকেলে দুইজন তাকে গুলি করে। এরপর তারা দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (ঢামেক) জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়।
ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. ফারুক জানান, "ওসমান হাদিকে কিছুক্ষণ আগে নিয়ে আসা হয়েছে। বর্তমানে তিনি জরুরি বিভাগে আছেন।"
এ ঘটনায় কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম। শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এ হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
ইএইচ
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন