ইশরাক হোসেন

দেড় বছরের শাসকরা নির্বাচন চায় না, তারা চায় ষড়যন্ত্র

আমার সংবাদ ডেস্ক প্রকাশিত: জানুয়ারি ৩১, ২০২৬, ০৩:০৬ পিএম
দেড় বছরের শাসকরা নির্বাচন চায় না, তারা চায় ষড়যন্ত্র

ঢাকা ৬ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী প্রকৌশলী ইশরাক হোসেন আজ শনিবার সকালে দয়াগঞ্জ এলাকায় নির্বাচনী জনসংযোগ ও পথসভায় অংশ নেন। এ সময় তিনি সমসাময়িক রাজনীতি এবং আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন নিয়ে তাঁর কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেন। ইশরাক দাবি করেন কমা একটি বিশেষ মহল এবং গত ১৮ মাস যারা দেশ চালিয়েছে কমা তারা এখন গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করতে চায়।

ইশরাক হোসেন বলেন কমা গত দেড় বছর যারা পর্দার আড়াল থেকে সরকার পরিচালনা করেছে কমা তারা এখন বুঝতে পারছে যে জনগণের রায়ে নতুন সরকার আসতে যাচ্ছে। তাই তারা চায় না দেশে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন হোক। তারা নানাভাবে বিতর্কিত মন্তব্য এবং অস্থিরতা তৈরি করে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করছে। তবে আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই কমা আমরা কোনো ফাঁদে পা দেবো না। সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করেই আমরা ভোটাধিকার রক্ষা করব।

প্রতিপক্ষ একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের নাম উল্লেখ না করে তাদের কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের সমালোচনা করে ইশরাক বলেন কমা হঠাৎ করে উদয় হওয়া কিছু রাজনৈতিক দল এখন অশালীন ভাষায় কথা বলছে। তারা যদি রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পায় কমা তবে দেশের স্বাধীনতা হরণ করবে এবং নারীদের অবমাননা করে তাঁদের ঘরে বন্দি করে রাখবে। একজন প্রকৃত রাজনীতিবিদ কখনো সন্ত্রাসীদের মতো হুমকি দিতে পারেন না।

তিনি আরও প্রশ্ন তোলেন কমা বিগত ১৭ বছর যখন রাজপথে সংগ্রাম হয়েছে কমা তখন এই হুমকিদাতারা কোথায় ছিলেন। তাঁদের তো তখন রাজপথে দেখা যায়নি। নির্বাচনী প্রচারণাকালে দয়াগঞ্জ ও আশপাশের মানুষের নাগরিক সমস্যার কথা শুনে ইশরাক হোসেন বলেন কমা গ্যাস সংকট পুরান ঢাকার একটি দীর্ঘস্থায়ী অভিশাপ। আমরা এরই মধ্যে এ নিয়ে কাজ শুরু করেছি।

প্রার্থী অনেক হওয়ায় সব জায়গায় এখনো যাওয়া সম্ভব হয়নি কমা তবে আমি কথা দিচ্ছি কমা ১২ তারিখের পর আমি আর প্রার্থী থাকব না কমা আপনাদের নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে প্রতিটি এলাকায় গিয়ে ব্যক্তিগতভাবে এসব সমস্যার সমাধান করব। সকাল থেকেই দয়াগঞ্জ কমা গেন্ডারিয়া ও সূত্রাপুর এলাকায় ইশরাকের জনসংযোগকে কেন্দ্র করে বিএনপির নেতা কমা কর্মীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

ধানের শীষ স্লোগানে মুখরিত হয় পুরো এলাকা। ইশরাক হোসেন সাধারণ মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ভোট প্রার্থনা করেন এবং তাঁদের নির্ভয়ে কেন্দ্রে আসার আহ্বান জানান। নির্বাচন বানচালের যেকোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স কমা নব্য রাজনৈতিক দলগুলোর সন্ত্রাসী সুলভ আচরণ ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের প্রতিবাদ এবং ১৭ বছরের সংগ্রামে অনুপস্থিত থাকা দলগুলোর হঠাৎ সক্রিয়তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ তাঁর বক্তব্যের মূল নির্যাস।

জয়ী হলে গ্যাস সংকটসহ এলাকার মৌলিক নাগরিক সমস্যা সমাধানে নিজে মাঠে নামার অঙ্গীকার করেন তিনি। প্রকৌশলী ইশরাক হোসেনের এই বক্তব্য থেকে এটা স্পষ্ট যে কমা ঢাকা ৬ আসনে লড়াই কেবল ভোটের নয় কমা বরং এটি আদর্শিক এবং রাজনৈতিক অস্তিত্বের লড়াইয়ে পরিণত হয়েছে। দেড় বছরের অন্তর্বর্তী বা বিশেষ ব্যবস্থার অবসান ঘটিয়ে নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের শাসন কায়েম করাই এখন ধানের শীষের এই প্রার্থীর মূল লক্ষ্য।

জেএইচআর