সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজা স্টেডিয়ামে তানজিদ হাসান তামিম ও সাইফ হাসানের ঝড়ো ইনিংসে সিরিজের তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে আফগানিস্তানকে ৬ উইকেটে হারাল বাংলাদেশ। স্টিভ রোডসের শিষ্যরা টানা তিন ম্যাচ জিততে সক্ষম হয়ে সিরিজে ডাবলধোলাই করে রশিদ খান বাহিনীকে।
প্রথম ম্যাচে ৪ উইকেটে জয় পাওয়ার পর দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতেও ২ উইকেটে জিতেছিল বাংলাদেশ। ফলে তৃতীয় ম্যাচে জয় নিশ্চিত করে তারা সিরিজ জয় নিশ্চিত করে। এই জয়ের ফলে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে আফগানিস্তানকে বাংলাদেশ টানা পাঁচ ম্যাচে হারিয়েছে।
রান তাড়া করতে নেমে শুরুটা বাংলাদেশের জন্য ভালো ছিল না। দলীয় ২৪ রানে উদ্বোধনী জুটি ভেঙে যায়। আজমতউল্লাহ ওমরজাইয়ের করা বলে রশিদ খানের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন বাংলাদেশি ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমন, তিনি করেন ১৪ রান।
শুরুটা ভালো না হলেও দ্বিতীয় উইকেটে তানজিদ হাসান তামিম ও সাইফ হাসান আফগান ব্যাটারদের শাসন করেন। তারা দুজন মিলে তোলেন ৫৫ রান। তানজিদ ৩৩ বলে ৩৩ রান করেন। অন্যদিকে সাইফ হাসান ধারাবাহিকভাবে খেলে যাচ্ছেন, তাকে সঙ্গ দিচ্ছেন দলনেতা জাকের আলি অনিক।
এর আগে ম্যাচের শুরুতে টস জিতে আফগানিস্তানকে ব্যাট করার আমন্ত্রণ জানান জাকের আলি অনিক। প্রথম দুই ওভারে আফগানিস্তানের উদ্বোধনী জুটি ২০ রান তুললেও তৃতীয় ওভারে নুরুল হাসান সোহান ইব্রাহিম জাদরানের হাতে ক্যাচ দেন এবং ৭ রান করে আউট হন।
পরের ওভারে সাজঘরের পথ ধরেন রহমানুল্লাহ গুরবাজ, বাঁহাতি স্পিনার নাসুম আহমেদের বলে শামীম পাটোয়ারির হাতে ক্যাচ তুলে দেন। গুরবাজ করেন ৯ বলে ১২ রান। পাওয়ার প্লের শেষ ওভারের শেষ বলে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ওয়াফিকুল্লাহ তারাখিলকে বোল্ড আউট করেন; ১৩ বলে ১১ রান করেন তিনি।
মাত্র ৩৯ রানে তিন উইকেট হারানো দলের হাল ধরার চেষ্টা চালান সেদিকুল্লাহ আতাল ও দারউইস রসুলি, কিন্তু মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের করা বলে ব্যক্তিগত ২৮ রানে আতাল তানজিম হাসান সাকিবের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। এরপর আজমতউল্লাহ ওমরজাই ৩, মোহাম্মদ নবী ১ ও রশিদ খান ১২ রান করে আউট হন।
মাত্র ৯৮ রানে ৮ উইকেট হারানো আফগানিস্তান নবম উইকেটে ৩৬ রান যোগ করে। এতে ২৯ বলে ৩২ রান করেন রসুলি, যা তার ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রান। অপরাজিত ছিলেন মুজিব-উর রহমান, ২৩ রান করে।
ইএইচ
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন