ইউরোপীয়ান দলের বিপক্ষে অভিষেক হয়েছে বাংলাদেশ নারী ফুটবলারদের। আজারবাইজানের বিপক্ষে ত্রিদেশীয় সিরিজের ম্যাচে জাতীয় স্টেডিয়ামে খেলছেন ঋতুপর্ণারা। ম্যাচের প্রথমার্ধ ১-১ গোলে সমতা রয়েছে।
আজারবাইজানের র্যাংকিং ৭৪, যা বাংলাদেশের চেয়ে ৩০ ধাপ এগিয়ে। তবে মাঠের লড়াইয়ে বাংলাদেশ খুব বেশি পিছিয়ে ছিল না। আক্রমণ-প্রতি আক্রমণে ভালোই লড়েছে বাটলারের বাংলাদেশ। বিগত ম্যাচের মতো এই ম্যাচেও হাই লাইন ডিফেন্স করেছেন আফিদারা। কয়েকবার আজারবাইজান বাংলাদেশের রক্ষণ ভেদ করলেও ডিফেন্ডাররা কাভারের চেষ্টা করেছেন, আবার কখনো অফসাইডের ফাঁদেও পড়েছে আজারবাইজান।
ম্যাচের ২০ মিনিটে আজারবাইজান লিড নেয়। বানিয়া ইশরাকের ক্রস থেকে অধিনায়ক জাফরজেদা গোল করেন। ফুটবলে গোল মানেই উল্লাস-উৎসব। আজারবাইজান অধিনায়ক গোল করে কয়েক মিনিট কান্না করেছেন। একটি সাদা কাপড়ে একজনের ছবি এঁকে সবাই পোজ দেন। এরপরই চোখে মুখে কান্না দেখা যায় অধিনায়কের। সতীর্থরা তাকে সামাল দেন।
১৪ মিনিট পর মারিয়া মান্ডার দুর্দান্ত গোলে বাংলাদেশ সমতা এনেছে। স্বপ্না রাণীর কর্ণার থেকে কয়েক পাক ঘুরে বক্সে বল পান মারিয়া। বাঁ পায়ে দুর্দান্ত সাইড ভলি করেন তিনি। গোললাইনে আজারবাইজানের ডিফেন্ডার লাফিয়েও বল ঠেকাতে পারেননি। গোলরক্ষক ও ডিফেন্ডারের মাঝ দিয়ে বল জালে জড়ায়।
ম্যাচ সমতা আসার পর আজারবাইজান তাদের আক্রমণ অব্যাহত রাখে। বাংলাদেশের গোলরক্ষক রুপ্নাকে একা পেয়েও গোল করতে পারেনি প্রথমার্ধের শেষ দিকে। ৪৫ মিনিট শেষে সমতা নিয়েই দুই দল ড্রেসিংরুমে ফেরে।
হামজা-জামালদের ম্যাচে স্টেডিয়ামে উপচে পড়া দর্শক থাকে। নারী দলের এই ম্যাচেও উল্লেখযোগ্য দর্শক উপস্থিতি হয়েছে। বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া ম্যাচে সব গ্যালারি খোলা ছিল। এই ম্যাচে শুধু পূর্ব গ্যালারি উন্মুক্ত রেখেছিল বাফুফে। সব মিলিয়ে প্রায় সাত হাজার দর্শক উপস্থিতি ছিল। দর্শকরা বাদ্য-যন্ত্রে স্টেডিয়াম মাতিয়ে রাখছিলেন।
ইএইচ
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন