বিপিএলে ফিক্সিং কেলেঙ্কারিতে ক্রিকেটারসহ নিষিদ্ধ ৫

ক্রীড়া প্রতিবেদক প্রকাশিত: মে ৭, ২০২৬, ০৭:২১ পিএম
বিপিএলে ফিক্সিং কেলেঙ্কারিতে ক্রিকেটারসহ নিষিদ্ধ ৫

২০২৫ সালের বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) মাঠের লড়াইয়ের চেয়ে বেশি আলোচনায় আসে দুর্নীতি ও ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগে। দীর্ঘ তদন্ত শেষে এবার সেই অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তদন্তে একজন ক্রিকেটারসহ মোট পাঁচজনের বিরুদ্ধে ফিক্সিং ও দুর্নীতির সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ মিলেছে।

বৃহস্পতিবার আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিসিবির অ্যাড-হক কমিটির সভাপতি তামিম ইকবাল বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানান।

তিনি বলেন, তদন্তে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তামিম ইকবাল জানান, পাঁচজনকে এই অনিয়মের সঙ্গে জড়িত হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। তদন্ত শেষে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিপিএল চলাকালীন সময়েই ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগ সামনে আসে। পরে তৎকালীন বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদ-এর নির্দেশে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। দীর্ঘ অনুসন্ধান শেষে কমিটি প্রায় ৯০০ পৃষ্ঠার একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন জমা দেয়। পরে বিসিবির ইন্টিগ্রিটি ইউনিটের প্রধান অ্যালেক্স মার্শাল-এর তত্ত্বাবধানে তথ্য-প্রমাণ যাচাই করে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়।

বিসিবির প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন ঘরোয়া ক্রিকেটার অমিত মজুমদার। এছাড়া কয়েকজন দলীয় কর্মকর্তা ও ফ্র্যাঞ্চাইজি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিও জড়িত বলে তদন্তে উঠে এসেছে।

বিপিএল ফিক্সিং ও দুর্নীতি কাণ্ডে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা-

অমিত মজুমদার (ক্রিকেটার): ম্যাচে বেটিং বা জুয়ার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ।

রেজওয়ান কবির সিদ্দিকী (টিম ম্যানেজার): ম্যাচের বিভিন্ন পর্যায়ে বাজি ধরা বা বেটিংয়ে যুক্ত।

মো. লাবলুর রহমান (টিম ম্যানেজার): তদন্তে অসহযোগিতা এবং তথ্য-প্রমাণ মুছে ফেলা।

মো. তৌহিদুল হক তৌহিদ (ফ্র্যাঞ্চাইজি সহ-মালিক): তদন্তে অসহযোগিতা এবং ডিমান্ড নোটিশ পালনে ব্যর্থতা।

সামিনুর রহমান (ব্যক্তিগত পক্ষ): খেলোয়াড়দের দুর্নীতির প্রস্তাব দেওয়া এবং জুয়াড়ি চক্রের সঙ্গে যোগাযোগ। (ইতোমধ্যে বিসিবি থেকে বহিষ্কৃত)।

এম জি