আইসিসি বোর্ডে স্বতন্ত্র পরিচালক হলেন ড. রিভাজ

ক্রীড়া প্রতিবেদক প্রকাশিত: মে ৩০, ২০২৬, ০৩:৩৫ পিএম
আইসিসি বোর্ডে স্বতন্ত্র পরিচালক হলেন ড. রিভাজ

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) তিন বছরের জন্য ড. রস রিভাজকে স্বতন্ত্র পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে। সংস্থাটি ভবিষ্যতে তার মেয়াদ আরও তিন বছর বাড়ানোর পরিকল্পনাও বিবেচনা করছে।

বর্তমানে ড. রিভাজ অ্যাংলিয়ান ওয়াটার এবং ইউকে কোম্পানিজ হাউসের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি তিনি অ্যাপেরাম এসএ ও ভিকট্রেক্স পিএলসি’র স্বতন্ত্র পরিচালক হিসেবেও যুক্ত রয়েছেন।

আইসিসির প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কর্মজীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে ড. রিভাজ সরকারি, বাণিজ্যিক ও সামাজিক খাতে একজন সক্রিয় বোর্ড সদস্য হিসেবে কাজ করেছেন। বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ ও মতবিনিময়ের মাধ্যমে তিনি নেতৃত্ব দিয়েছেন নানা গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগে। সুশাসন, করপোরেট কৌশল ও কার্যকর পরিচালনা বিষয়ে তার বিস্তৃত অভিজ্ঞতা এবং বৈচিত্র্য ও অন্তর্ভুক্তির প্রতি দৃঢ় অবস্থান আইসিসি বোর্ডকে আরও সমৃদ্ধ করবে বলে মনে করছে সংস্থাটি।

আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ এই নিয়োগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতা ও সুশাসন বিষয়ে ড. রিভাজের দক্ষতা আইসিসির জন্য গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হয়ে উঠবে। বিশ্বব্যাপী ক্রিকেটের বিস্তার এবং নতুন সম্ভাবনার অনুসন্ধানে তার কৌশলগত দৃষ্টিভঙ্গি ও স্বাধীন মতামত সংস্থার কার্যক্রমে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ড. রিভাজের পরামর্শ ও অবদান ক্রিকেটের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নকে আরও শক্তিশালী করবে।

পেশাগত দায়িত্বের পাশাপাশি ড. রিভাজ বিভিন্ন সামাজিক ও শিক্ষামূলক কার্যক্রমেও সক্রিয়। বিশেষ করে তরুণীদের বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিতভিত্তিক শিক্ষায় উৎসাহিত করতে তিনি নানা উদ্যোগে সহযোগিতা করে আসছেন। এছাড়া বিভিন্ন দাতব্য কার্যক্রম ও স্থানীয় সামাজিক প্রকল্পেও তার সম্পৃক্ততা রয়েছে।

নতুন দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রতিক্রিয়ায় ড. রিভাজ বলেন, ক্রিকেটের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এক সময়ে আইসিসি বোর্ডে যোগ দিতে পেরে তিনি সম্মানিত বোধ করছেন। তিনি আইসিসি নেতৃত্ব, বোর্ডের সদস্য এবং বৈশ্বিক ক্রিকেট পরিবারের সঙ্গে কাজ করে খেলাটির অগ্রযাত্রায় ভূমিকা রাখতে আগ্রহী। তার মতে, শক্তিশালী সুশাসন, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ আরও সমৃদ্ধ করা সম্ভব হবে।

এম জি