আমার সংবাদ ডেস্ক
জুন ৯, ২০২৬, ০২:৫৪ পিএম
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় মোট ১০টি উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৮৯০ কোটি ৯৭ লাখ টাকা।
মঙ্গলবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়। অনুমোদিত ব্যয়ের মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ৩ হাজার ৮১০ কোটি ৬২ লাখ টাকা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ৮০ কোটি ৩৫ লাখ টাকা।
অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে ৫টি নতুন প্রকল্প, ৩টি সংশোধিত প্রকল্প এবং ২টি মেয়াদ বৃদ্ধি পাওয়া প্রকল্প। সভায় অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ মন্ত্রিসভার সদস্য ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
অনুমোদন পাওয়া প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে বরিশাল সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন ও রক্ষণাবেক্ষণ, সমন্বিত উপজেলা ভূমি কমপ্লেক্স নির্মাণ, ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের নগর ভবন নির্মাণ, আনোয়ারা থেকে চকরিয়া পর্যন্ত আঞ্চলিক মহাসড়ক উন্নয়ন এবং ৩৩টি জেলায় সার্কিট হাউস ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে লিফট সংযোজন।
এ ছাড়া বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট সম্প্রসারণ, ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ক্যানসার সেন্টার নির্মাণের দ্বিতীয় পর্যায়, মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থাপনা ও তথ্যব্যবস্থা সহায়তা প্রকল্প, ৬৫৩টি মাদ্রাসায় মাল্টিমিডিয়া শ্রেণিকক্ষ স্থাপন এবং বিদ্যমান গ্রিড উপকেন্দ্র ও সঞ্চালন লাইনের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রকল্পও অনুমোদন পেয়েছে।
সভায় ৫০ কোটি টাকার কম ব্যয়সংবলিত আরও ৬টি প্রকল্প সম্পর্কে একনেককে অবহিত করা হয়। এর মধ্যে পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন উন্নয়ন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, ডাকসেবা সম্প্রসারণ, প্রশিক্ষণ অবকাঠামো উন্নয়ন, শিশুবিবাহ প্রতিরোধ এবং কৃষি কলেজ স্থাপন প্রকল্প রয়েছে।
চলতি অর্থবছরের ১২তম এবং বর্তমান সরকারের চতুর্থ একনেক সভায় মোট ১২টি প্রকল্প উপস্থাপন করা হলেও যাচাই-বাছাই শেষে ১০টি অনুমোদন দেওয়া হয়।
অনুমোদন না পাওয়া প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে বহুল আলোচিত চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রকল্প এবং খুলনা শিপইয়ার্ড সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের তৃতীয় সংশোধনী। খুলনা প্রকল্পের বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রতার কারণ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। অন্যদিকে সময়ের অভাবে চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রকল্পটি সভায় আলোচনা হয়নি। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, পরবর্তী একনেক সভায় এটি উত্থাপন করা হতে পারে।
এম জি