বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ৫০ বছর

  • ১৯৯০-৯১ অর্থবছরে বাংলাদেশ ভারত থেকে আমদানি করে ২৩ কোটি ১৩ লাখ ডলার মূল্যের পণ্য। অন্যদিকে ভারত বাংলাদেশ থেকে আমদানি করে মাত্র ২১ লাখ ডলার মূল্যের পণ্য। ২০১৬-১৭ অর্থবছরের হিসাব অনুযায়ী বাংলাদেশ থেকে ভারতে ৬৭২.৪০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের রপ্তানি হয়েছে। অন্যদিকে ভারত থেকে বাংলাদেশে রপ্তানি করা হয়েছে ৬.১৬ বিলিয়ন ডলার মূল্যের পণ্য। করোনা মহামারির পরও ২০১৯-২০ অর্থবছরে বাংলাদেশ আমদানি করে ৫.৮০ বিলিয়ন ডলার, রপ্তানি করে ১.১ বিলিয়ন ডলার মূল্যের পণ্য

দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিবেশী দুটি দেশ— বাংলাদেশ ও ভারত। ভৌগোলিকভাবে বাংলাদেশের চারদিকে ভারতের অবস্থান। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় থেকে আজ পর্যন্ত বাংলাদেশের ক্ষেত্রে ভারতীয় সরকারের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। সাম্প্রতিক বাংলাদেশ সফরে ভারতের পররাষ্ট্রসচিব হর্ষবর্ধন শ্রিংলা এ সম্পর্ককে ‘সোনালি অধ্যায়’ বলেছেন। তার মতে, দুই দেশের মধ্যে এখন যেকোনো সময়ের তুলনায় ভালো সম্পর্ক রয়েছে। আমিও মনে করি, দুই দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বেশকিছু সমস্যা থাকলেও মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ভারতের অবদান আমাদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করতেই হবে।

আসলে, একথা বললে অত্যুক্তি হবে না যে, দুই দেশের মধ্যকার অভিন্ন ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক ইতিহাস, ভাষা, সংস্কৃতি, মানুষের ভাবাবেগ ও স্বার্থের এক অসাধারণ সম্পর্কের মিথস্ক্রিয়া বাংলাদেশ ও ভারত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে এক বিশেষ মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করেছে। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে ভারতের ও সোভিয়েত ইউনিয়নের অবদানের মধ্য দিয়ে গড়ে ওঠা ভারত এবং বাংলাদেশের সম্পর্ক কালক্রমে তাই নতুন মাত্রা পেয়েছে। মূলত বঙ্গবন্ধু তনয়া দেশরত্ন শেখ হাসিনা ১৯৯৬ ও ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পর পারস্পরিক বিশ্বাস ও সমঝোতার ওপর ভিত্তি করে এ সম্পর্ক সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়। ভারতের পররাষ্ট্রনীতিতে ‘প্রতিবেশীই প্রথম’ নীতির কারণে বাংলাদেশ ভারতের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে ২৬ ও ২৭ মার্চ নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশ সফর করেছেন। করোনা মহামারি শুরুর পর ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর এটাই প্রথম বিদেশ সফর। নরেন্দ্র মোদির আসন্ন ঢাকা সফর তাই নানা কারণে তাৎপর্যপূর্ণ।

অধিক জনসংখ্যা হওয়ার কারণে বাংলাদেশ তার নিজ দেশের উৎপাদিত পণ্যের মাধ্যমে জনগণের চাহিদা পূরণ করতে পারে না। ফলে বহির্বিশ্ব থেকে প্রয়োজনীয় পণ্যদ্রব্য আমদানি করতে হয়। এক্ষেত্রে ভারত থেকে এসব পণ্যদ্রব্য আমদানি করা সময় ও অর্থসাশ্রয়ী। কারণ, ভারত প্রতিবেশী হওয়ায় যোগাযোগব্যবস্থার সুবিধা পাওয়া যায়। যোগাযোগব্যবস্থার নতুন সংযোজন ১৭ ডিসেম্বর, ২০২০ দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর ভার্চুয়াল সম্মেলনে নীলফামারীর চিলাহাটি সীমান্ত থেকে পশ্চিমবঙ্গের হলদিবাড়ী পর্যন্ত রেল যোগাযোগ উদ্বোধন, যা ১৯৬৫ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের সময় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এছাড়া দুই দেশের মানুষের রুচি ও পছন্দের মিল থাকায় বাংলাদেশের চাহিদা অনুযায়ী পণ্যদ্রব্যও পাওয়া যায়।

বাংলাদেশ ভারতের মধ্যকার আনুষ্ঠানিকভাবে বাণিজ্য বা অর্থনৈতিক সম্পর্কের শুরু হয় ১৯৭২ সালের ১৯ মার্চ তৎকালীন বাংলাদেশের সরকারপ্রধান জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী কর্তৃক ২৫ বছরমেয়াদি মৈত্রী চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে। ১৯৭৩ সালে বাণিজ্যচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ১৯৭২ সালে মৈত্রী চুক্তির মাধ্যমে বাণিজ্যিক সম্পর্কের সূচনা হলেও ১৯৭৫ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে কাপুরুষোচিতভাবে হত্যা করা হলে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্কের পাশাপাশি অন্যান্য সম্পর্কের দ্রুত অবনতি ঘটতে থাকে। এরপর থেকে বাংলাদেশে স্বৈরতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা চলতে থাকে। ১৯৯০ সালে স্বৈরশাসক জেনারেল এরশাদের পতনের মধ্য দিয়ে আবার গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার শুরু হয়। পৃথিবীর বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশ ভারত মূলত এই সময় থেকে তথা ১৯৯০ সালের পর থেকে সামরিক শক্তির পাশাপাশি অর্থনৈতিক দিক দিয়েও অনেক শক্তিশালী হয়ে ওঠে। অন্যদিকে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক দিক দিয়ে ক্ষুদ্র একটি দেশ। এমন ক্ষুদ্র অর্থনীতির একটি দেশের সঙ্গে ভারতের বাণিজ্য সম্পর্ক তৈরি করার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে পারস্পরিক স্বার্থ রক্ষা করা।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো বা ইসিবি সূত্র থেকে জানা যায়, ১৯৯০-১৯৯১ অর্থবছরে বাংলাদেশ ভারত থেকে আমদানি করে ২৩ কোটি ১৩ লাখ ডলার মূল্যের পণ্য। অন্যদিকে ভারত বাংলাদেশ থেকে আমদানি করে মাত্র ২১ লাখ ডলার মূল্যের পণ্য। ২০১৬-১৭ অর্থবছরের হিসাব অনুযায়ী বাংলাদেশ থেকে ভারতে ৬৭২.৪০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের রপ্তানি হয়েছে। অন্যদিকে ভারত থেকে বাংলাদেশে রপ্তানি করা হয়েছে ৬.১৬ বিলিয়ন ডলার মূল্যের পণ্য। করোনা মহামারির পরও ২০১৯-২০ অর্থবছরে বাংলাদেশ আমদানি করে ৫.৮০ বিলিয়ন ডলার, রপ্তানি করে ১.১ বিলিয়ন ডলার মূল্যের পণ্য। তবে একথা ঠিক যে, এ অঞ্চলে ভারতের সঙ্গে প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর বাণিজ্য ঘাটতি বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। বিগত বছরগুলোতে বাংলাদেশ ও ভারতের বাণিজ্যিক পরিসংখ্যান দেখলে বিষয়টা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। এই দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক উন্নয়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করলেও বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে বিভিন্ন বাধা পরিলক্ষিত হয়। ভারতে বাংলাদেশের রপ্তানি বৃদ্ধি না হওয়ার জন্য মোটা দাগে চারটি সমস্যা রয়েছে বলে আমি মনে করি। সেগুলো হলো— দুর্বল অবকাঠামো, অপর্যাপ্ত বন্দর সুবিধা, রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ জটিলতা ও অশুল্ক বাধা।

আধুনিক রাষ্ট্র কাঠামোর সম্পর্কের অন্যতম ভিত্তি বাণিজ্য। তাই ভারতে বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধি করার জন্য অবশ্যই উপরোক্ত সমস্যাগুলোর সমাধান করতে হবে। তাছাড়া ওয়ান স্টপ সার্ভিসের পাশাপাশি ডিজিটাল পদ্ধতি চালু করলে পণ্য আমদানি-রপ্তানিতে দীর্ঘসূত্রতা কমবে এবং ভারতে বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধি পাবে। আমাদের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে বেশকিছু সমস্যা তৈরি হলেও তা সমাধানের ক্ষেত্রে দুই দেশের কর্তব্যরত ব্যক্তিরা তাদের কর্মতৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন। ২০১০ সালে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা ভারত সফরকালে দুই দেশের মধ্যে সীমান্ত হাট স্থাপনের আগ্রহ লক্ষ্য করা যায়। ২০১৫ সালের ৬-৭ জুন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রাষ্ট্রীয় সফরে বাংলাদেশে এসে ভারত-বাংলাদেশ স্থল সীমান্ত চুক্তি (এলবিএ) অনুমোদনের দলিল বিনিময় ও ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের দ্বিতীয় ঋণচুক্তিসহ ২২টি দ্বিপক্ষীয় দলিল চূড়ান্ত করেছিলেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৭ সালের ৭-১০ এপ্রিল ভারত সফর করেন। সফরকালে বিভিন্ন বিষয়ে ৩৬টি দ্বিপক্ষীয় দলিল, যার মধ্যে রয়েছে বেসামরিক পারমাণবিক শক্তি, মহাকাশ, তথ্যপ্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা, সক্ষমতা অর্জন ইত্যাদি। এছাড়াও ৪.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের তৃতীয় ঋণরেখা (এলওসি) বাংলাদেশকে দেয়া হয়েছে। যা ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়নের স্বাক্ষর বহন করে বৈকি। তাছাড়া স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের পর বাংলাদেশের সামনে যে চ্যালেঞ্জ আসবে, তা মোকাবিলায় ভারত আমাদের অন্যতম অংশীদার হতে পারে। সম্প্রতি বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য সম্পর্ক বাড়াতে সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (সিইপিও) নামে নতুন এক চুক্তি নিয়ে আলোচনা শুরু করেছে, যা সফল হলে এবং নিরবচ্ছিন্ন পরিবহনব্যবস্থা চালু হলে আগামী ১০ বছরে ভারতে বাংলাদেশের রপ্তানি দ্বিগুণ হবে বলে আমি আশাবাদী।

সীমান্তের মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে স্বাধীনতার অব্যবহিত পরই সীমান্ত হাট চালু করা হয়েছিল। পরবর্তীকালে তা বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত হাট নিয়ে আলাপ-আলোচনার পর অবশেষে আটটি হাট স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয় এবং ইতোমধ্যে চারটির কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এসব হাট সীমান্তের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণের পাশাপাশি দুই দেশের বাণিজ্যেও ভূমিকা রাখছে। বাংলাদেশ-ভারত অর্থনৈতিক সম্পর্কের সাম্প্রতিক অগ্রগতির অন্যতম দিক হচ্ছে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতে ভারতের বিনিয়োগ। ভারতের আমদানি ও রিলায়েন্স বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতে বিনিয়োগ করার চুক্তি করেছে। এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়িয়ে বিদ্যমান বিদ্যুৎ ঘাটতি লাঘব করতে পারবে। তাছাড়া বিদ্যুৎ উন্নয়ন মহাপরিকল্পনা ‘পাওয়ার সিস্টেম মাস্টার প্ল্যান-২০১০’-এ আঞ্চলিক সহযোগিতার মাধ্যমে পার্শ্ববর্তী দেশসমূহ থেকে বিদ্যুৎ আমদানিকে গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হিসেবে চিহ্নিত করে ২০৩০ সালের মধ্যে ন্যূনতম ৩৫০০ মেগাওয়াট আঞ্চলিক গ্রিডের মাধ্যমে বিদ্যুৎ আমদানির পরিকল্পনা গ্রহণ করে বাংলাদেশ। বিদ্যুৎ বিভাগ কর্তৃক উক্ত পরিকল্পনা সংশোধনপূর্বক আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে আঞ্চলিক সহযোগিতার মাধ্যমে ৬ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ওই লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নে সরকার আঞ্চলিক সহযোগিতার মাধ্যমে বিদ্যুৎ আমদানির ব্যাপারে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।

১৯৪৭ সালের পূর্বে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের অধিকাংশ বাণিজ্যই হতো আজকের বাংলাদেশের ওপর দিয়ে। চট্টগ্রাম বন্দর এই অঞ্চলের পণ্য পরিবহনের অন্যতম রুট ছিল। নদী, সড়কপথ ও রেলপথ— এ অঞ্চলের পরিবহনব্যবস্থার বাস্তবতার আলোকেই তৈরি। ১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধে রেল ও নদী পথ ভেঙে পড়ে এবং পাকিস্তান ভারতের ট্রানজিট অধিকার বাতিল করে। পরবর্তীকালে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্ম হলে ১৯৭২ সালে নদীপথের ট্রানজিট পুনরায় চালু করা হয়। বিশ্বায়নের এই যুগে কোনো দেশ বিচ্ছিন্ন থাকতে পারে না। বাংলাদেশও প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বিশেষ করে ব্যবসায় বাণিজ্য সম্প্রসারিত করতে পারে। ভারত-বাংলাদেশ বাণিজ্য আলোচনায় ট্রানজিট আর ট্রানশিপমেন্টের মাধ্যমে নতুন মাত্রায় পৌঁছাবে বলে আমার বিশ্বাস। তবে বর্তমানে ট্রানজিট শুধু ভারতেই নয় বরং এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নেপাল আর ভুটানও।

তাই আমরা বলতে পারি, বাংলাদেশ-ভারত অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন করে আশার আলো প্রতিভাত হচ্ছে। বাংলাদেশের চাহিদার ক্ষেত্রগুলোতে ভারত মনোযোগী হয়েছে। যেমন— সীমান্ত হত্যা কমিয়ে আনতে বিএসএফকে নন-লেথাল অস্ত্র দেয়া হচ্ছে। এছাড়া বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনতে বিভিন্ন বাংলাদেশি পণ্যকে ভারতের বাজারে শুল্কমুক্ত সুবিধা দেয়া হচ্ছে। বাংলাদেশের বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার না থাকলে হয়তো এই দ্বিপক্ষীয় বন্ধুত্ব এ পর্যায়ে পৌঁছতোই না।

লেখক : অধ্যাপক, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

আমারসংবাদ/জেআই