২০১৪ সালে ৭০৭ জন নারী ও শিশু ধর্ষণের শিকার

  বিদায়ী ২০১৪ সালে নারী নির্যাতন আশঙ্কাজনক ভাবে বেড়েছে। ৭০৭ জন নারী ও শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। ২০১৪ সালে অভিবাসীশ্রমিক ও মানবপাচারও বেড়েছে। এ বছরে সীমান্তহত্যা ও নির্যাতনসহ ২৭৩টি ঘটনা ঘটে। এই সময় গুলিতে ১৬ এবং নির্যাতনে ১৬ জন নিহত হন।

 বুধবার সকাল ১১টায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে মানবাধিকার সংস্থা আইন ও শালিস কেন্দ্র (আসক) এ তথ্য প্রকাশ করে। সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন আসকের নির্বাহী পরিচালক অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল।

আসক বলেছে, ২০১৪ সালেও বিচারবর্হিভূত হত্যাকাণ্ড অব্যাহত ছিল। ২০১৩ সালে বিচারবর্হিভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন ৭২ জন। ২০১৪ সালে এই সংখ্যা বেড়ে ১২৮ জনে দাঁড়িয়েছে।

২০১৪ সালে গুম ও গুপ্তহত্যার শিকার হয়েছেন ৮৮ জন। এর মধ্যে ১২ জন মুক্তি পেয়েছেন। ২৩ জনের লাশ উদ্ধার হয়েছে। দুজন কারাগারে এবং বাকিদের কোনো খোঁজ মেলেনি।

২০১৪ সালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নির্যাতনে মারা গেছেন ১৩ জন। গ্রেপ্তারের আগে মারা গেছেন দুজন। আত্মহত্যা করেছেন একজন।

৫ জানুয়ারির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ৬৬৪টি রাজনৈতিক সহিংসতা হয়েছে। এতে নিহত হয়েছে ১৪৭ জন। আহত আট হাজার ৩৭৩ জন।
বছরটিতে মতপ্রকাশের ক্ষেত্রে বিভিন্ন সময় বাধা পাওয়ার অভিযোগ এসেছে। এসময় দুজন সাংবাদিক খুন হয়েছেন। নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ২৩৯ জন।

এ বছর হিন্দু সম্প্রদায়ের ৭৬১টি বাড়ি ঘরে ভাঙচুর ও আগুন দেয়া হয়েছে। ১৯৩টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আগুন ও ভাঙচুর চালানো হয়েছে। ২৪৭টি মন্দির ও প্রতিমা ভাচুর করা হয়েছে।