থানচিতে অ্যান্টিজেন র‌্যাপিড টেস্ট চালু, নতুন আক্রান্ত ১

করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ সামাল দিতে ব্যাপক হারে টেস্ট বাড়ানোর ব্যবস্থা হিসাবে বান্দরবানের থানচিতে অ্যান্টিজেন ভিত্তিক র‌্যাপিড টেস্ট চালু করা হয়েছে।  

করোনার দ্বিতীয় ধাপ সংক্রমণ ঠেকাতে সরকার দ্রুত পদক্ষেপের অংশ হিসাবে অ্যান্টিজেন র‌্যাপিড টেস্ট চালু করা শুরু হয়েছে। সেই অংশ হিসাবে এই উপজেলায় গত ৮ এপ্রিল হতে চালু করেছে অ্যান্টিজেন র‌্যাপিড টেস্ট। এই টেস্ট দিয়ে কোভিড-১৯ আক্রান্ত ব্যাক্তিকে সহজেই শনাক্ত করা যায়। নমুনা গ্রহণের মাত্র ২০ মিনিটের মধ্যেই এর ফলাফল নির্ণয় করা হয়।  

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর দেয়া তথ্য অনুযায়ী এই পর্যন্ত কোভিড-১৯ নমুনা সোয়ার টেস্ট ১ম ধাপসহ মোট দু’শত চল্লিশ জনকে টেস্ট করা হয়েছে। এর মধ্যে ১ম ধাপে ১৭জন পজিটিভ বা রোগী পাওয়া গেছে। ২য় ধাপে এসে মাত্র দু’জন নমুনা সোয়ার টেস্টের মধ্যে ১জনকে পজিটিভ শনাক্তসহ মোট ১৮জনকে করোনা সনাক্ত করা হয়েছে। সেই পজিটিভ ব্যক্তি থানচি থানা এসআই শাওন। তিনি বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা হাসপাতালে আইসোলেশন কক্ষে চিকিৎসাধীন রযেছে। নতুন করে চালু হওয়া অ্যান্টিজেন ভিত্তিক র‌্যাপিড টেস্ট মাধ্যমে প্রথম টেস্ট করা ২জনই করোনা নেগেটিভ বলে জানান কর্তব্যরত কর্মকর্তা।

আর একদিকে করোনা ভেকসিন ১ম ডোজ গ্রহণ করেছেন সাতশত ৬২জন আর ২য় ডোজ এ এই পর্যন্ত ২০জনকে করোনা ভেকসিন দেয়া হয়েছে। হাসপাতালে অক্সিজেন সিল্যান্ডার ৯টি মজুত রয়েছে। এছাড়া অক্সিজেন কনসানট্রেটর ১টি আছে। যা দিয়ে অক্সিজেন শেষ হয়ে যাওয়ার পরও প্রাকৃতিক ভাবে অক্সিজেন সংগ্রহ করে রোগীকে অক্সিজেন দেয়া সম্ভব বলেও জানান এই কর্মকর্তা।

হাসপাতালে ৯জন ডাক্তার থাকার কথা থাকলেও বর্তমানে আছে মাত্র ৩ জন ডাক্তার। আর মাত্র ৩জন নার্স দিয়ে ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে সেবা দিয়ে যাচ্ছে। যা থাকার কথা ৯জন নার্স। তাছাড়া স্বাস্থ্য সহকারী ১৩জনের মধ্যে আছে মাত্র ৭জন। এই সব কথা সাংবাদিকদের জানান উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ ওয়াহিদুজ্জামান মুরাদ।

এই নিয়ে এলাকার সচেতন ও বিশিষ্টজনের মতে, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং মহোদয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ কামনা করেন। বৈশ্বিক এই মহামারি কালে পশ্চাৎপদ সাধারণ জনগণের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ প্রতি হাসপাতালে জনবল বাড়ানো আহ্বান জানানো হয়।

আমারসংবাদ/কেএস