রোজিনা ইসলামের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি ফেঞ্চুগঞ্জ প্রেসক্লাবের

প্রথম আলোর সিনিয়র সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের নিঃশর্ত মুক্তি ও এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছে সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ।

গতকাল মঙ্গলবার (১৮ মে) রাতে এক বিবৃতিতে প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ এ দাবি জানান।

বিবৃতিতে তারা উল্লেখ করেন, অনুসন্ধানী সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের ওপর নিপীড়ন ও তাকে আটকে রেখে ৬ ঘণ্টা হেনস্তার পর থানায় সোপর্দ, মামলা দায়ের, আদালতে পাঠিয়ে রিমান্ডের আবেদন, জামিন না দিয়ে কারাগারে পাঠানোর ঘটনা কোন অবস্থায় মেনে নেয়া যায় না।

এই সব কর্মকাণ্ড স্বাধীন সাংবাদিকতার ও মত প্রকাশের স্বাধীনতার ওপর নগ্ন হস্তক্ষেপ। একটি গণতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় এ ধরনের হীনচেষ্টা সংবাদপত্রের অস্তিত্বকে হুমকির দিকে ঠেলে দেবে। রোজিনা ইসলামকে নানাভাবে হেনস্তা করার ঘটনা শুধু দুঃখজনক নয়, সভ্য সমাজে এটি লজ্জাজনক। এর সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে এবং দ্রুত রোজিনা ইসলামকে নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে।

বিবৃতি প্রদানকারীরা হলেন- ফেঞ্চুগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ উদ্দীন ইসকা, সহ সম্পাদক তাজুল ইসলাম বাবুল, দপ্তর সম্পাদক মামুনুর রশীদ, সদস্য দেলওয়ার হোসেন পাপ্পু, জুয়েল খান, বদরুল আমীন, জুলহান চৌধুরী, আব্দুর রহমান বাবুল, আরকে দাস চয়ন, ফরিদ উদ্দিন, মোস্তাফিজুর রহমান কিনেল ও রুমেল আলী। এছাড়াও সাংবাদিক আব্দুল্লাহ আল নোমান, আসিফ ইকবাল ইরন, আব্দুস সালাম, ছামি হায়দার ও রুবানা আক্তার প্রমূখ।

উল্লেখ্য, অনুমতি ছাড়া মোবাইলে সরকারি নথির ছবি তোলার অভিযোগে সোমবার (১৭ মে) রাতে রোজিনা ইসলামের বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় মামলা দায়ের করা হয়। এ মামলায় মঙ্গলবার সকালে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অভিযোগের ভিত্তিতে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের উপ-সচিব ডা. মো. শিব্বির আহমেদ উসমানী মামলাটি দায়ের করেন।

আমারসংবাদ/কেএস