Amar Sangbad
ঢাকা বুধবার, ২৫ মে, ২০২২, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯

রেলমন্ত্রীর বউ কি অন্য মন্ত্রণালয় দপ্তরেও ফোন করেন!

আমার সংবাদ ডেস্ক

মে ৮, ২০২২, ০৩:৫৩ পিএম


রেলমন্ত্রীর বউ কি অন্য মন্ত্রণালয় দপ্তরেও ফোন করেন!

দুইটিই বিরক্তিকর ঘটনা। আতংকেরও। একটির সাথে রেলমন্ত্রীর সম্পৃক্ততা, অপরটি একজন এমপির। নোয়াখালীর সোনাইমুড়ির এমপি এইচ এম ইব্রাহিমের। আপাতত রেলমন্ত্রীর বিষয়টি নিয়ে কথা বলি। এমপির বিষয় নিয়ে আলাদাভাবে লিখবো।

রেলমন্ত্রীর স্ত্রীর নির্দেশে রেলওয়ের একজন কর্মীকে কিভাবে বরখাস্ত করা হয়- তা ভেবে পাচ্ছি না। মন্ত্রীর স্ত্রী সরকারের কেউ নন, তিনি সরকারি কোনো কাজে সরাসরি হস্তক্ষেপ করতে পারেন না। করলে সেটি হবে বেআইনি কাজ। 

পত্রিকার রিপোর্ট অনুসারে, মন্ত্রীর স্ত্রীর আত্মীয়রা রেলের টিকেট না পাওয়ায় তিনি রেলওয়ের একজন কর্মকর্তাকে ফোন করেছেন। দ্বিতীয় বার ফোন করেছেন বিনা টিকেটে ভ্রমণকারী তার আত্মীয়দের টিকেট নিয়ে প্রশ্ন করায় টিটিকে বরখাস্ত করার জন্য। 

তিনি সরকারের কেউ নন, তা হলে তিনি বরখাস্তের সিদ্ধান্ত কীভাবে দেন? সেই সিদ্ধান্ত কিভাবে কার্যকর হয়!

রেলমন্ত্রীর স্ত্রী কি হরহামেশাই রেলে, মন্ত্রণালয়ে নানা দপ্তরে ফোন করেন! আত্মীয়স্বজনদের কাজ পাইয়ে দিতে, অন্যায় সুবিধা পাইয়ে দিতে কিংবা কোনো অন্য কোনো কারণে! অন্যদের কাজের জন্যও কি ফোন করেন? রেলমন্ত্রীর স্ত্রী কি অন্য মন্ত্রণালয় দপ্তরেও ফোন করেন! এই প্রশ্নগুলো উঠা কিন্তু অযৌক্তিক নয়।

টিটিকে বরখাস্তের ঘটনায় মন্ত্রীর স্ত্রীর ভূমিকা রেল নিয়ে, রেলওয়ে নিয়ে নানা প্রশ্ন সামনে আসার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এগুলো তদন্ত হওয়া উচিৎ। 

রেলমন্ত্রীর স্ত্রী কোথায় কোথায় প্রভাব খাটিয়ে কি ধরনের বিধিবহির্ভূত কাজ করেছেন তার একটা তদন্ত হওয়া দরকার। আর মন্ত্রীর স্ত্রীর কর্মকাণ্ডের নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে রেলমন্ত্রীকে দায়িত্ব থেকে অব্যহতি দেয়া অবশ্যই দরকার।

(শওগাত আলী সাগর'র ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)