Amar Sangbad
ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৬ অক্টোবর, ২০২২, ২১ আশ্বিন ১৪২৯

মা হতে তিশাকে অনেক কিছু ছাড়তে হয়েছে: ফারুকী

আমার সংবাদ ডেস্ক

মে ১০, ২০২২, ০৪:৪৯ পিএম


মা হতে তিশাকে অনেক কিছু ছাড়তে হয়েছে: ফারুকী

চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে মা-বাবা হন অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশা ও নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী দম্পতি। এর পর থেকেই নতুন নতুন নানা অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে তাদের।

রোববার ছিল মা দিবস। কন্যাসন্তান ইলহাম নুসরাত ফারুকী পৃথিবীতে আসার পর প্রথমবার দিবসটি নতুন রূপে ধরা দিয়েছে ফারুকীর কাছে।

সেই অনুধাবন ও অভিজ্ঞতাই নিজের ফেসবুক লেখায় তুলে ধরেছেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন এ পরিচালক। সোমবার সন্ধ্যায় লেখা পোস্টে তিনি জানিয়েছেন লেখাটি লিখতে দেরি হওয়ার কারণ।

ফারুকী লিখেছেন, ‘তিশা যেদিন জানতে পারে ও কনসিভ করেছে তার কয়দিন পরেই ওর কাছে কল আসে বিশাল ভরদ্বাজের কাস্টিং ডিরেক্টরের কাছ থেকে। ওই সিনেমাটার জন্যে যেটা নিয়ে পরে তারা আরও বেশ কিছু বাংলাদেশি অভিনেত্রীর সঙ্গে কথা বলেছে এবং যেটা নিয়ে নানা নিউজও হয়েছে।’

তিশার যেকোনো সিদ্ধান্ত তিশা নিজেই নেন এবং নিজের সিদ্ধান্তেই কাজটি ছেড়ে দেন বলে জানান ফারুকী।

নেটফ্লিক্সের কাজ ছেড়ে দেয়া ছাড়ও তিশাকে আর কী কী ছাড়তে হয়েছে, সেটা জানিয়ে ফারুকী লেখেন, ‘একের পর এক তিশাকে ছেড়ে দিতে হয়েছে ঘুম, পছন্দের খাওয়া, নিজের জন্য রাখা সময়। আমি মোটামুটি চেষ্টা করি সব সময়ই তিশার পাশে থাকতে হেল্পিং হ্যান্ড হিসেবে।

‘ইলহামকে হয়তো গোসল করাচ্ছে, ডায়াপার চেঞ্জ করছে, আমি জিনিসপত্র আগাইয়া দিলাম, কখনও নিজেই করলাম। বা ধরা যাক ও ডাবিংয়ে গেল, আমি বেবি সিটার হিসেবে ওর সঙ্গে গিয়ে বসে থাকলাম দূরে কোথাও। কিন্তু একজন মাকে সন্তানের জন্য যা যা করতে হয়, যা যা জীবন থেকে ছাড়তে হয়, বাবারা চব্বিশ ঘণ্টা সময় দিলেও মায়ের যে স্ট্রেস, যে কন্ট্রিবিউশন তার ধারেকাছেও যাইতে পারবে না।’

এ কথাগুলো ফারুকী জানতেন, তবে থিওরেটিক্যালি। কথাগুলোর অর্থ এবার নির্মাতা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন বলে জানান। সামনাসামনি অনেক কিছু দেখে ফারুকী চেয়েছেন তিশাকে তার অনুভূতির কথা জানাতে। কিন্তু মধ্যবিত্ত আড়ষ্টতায় তিশার সামনে দাঁড়িয়ে ধন্যবাদ দিতে পারছিলেন না ফারুকী। তাই লিখেছেন ফেসবুকে।

ফারুকী লেখেন, ‘আমি কখনোই নানাবিধ দিবস-টিবস পালন করি না। কিন্তু এবারের মা দিবসের উসিলাটা কাজে লাগাইয়া আমি তিশাকে এই কথাগুলা বলতে চাইছি। ডুব ছবিতে একটা সিন আছে না, সাবেরি মাকে সামনাসামনি ধন্যবাদ দিতে পারে না তাই একটু আড়ালে গিয়ে ফোন দিয়ে বলে। আমার অবস্থাও সেইরকম। মধ্যবিত্ত আড়ষ্টতায় সামনাসামনি ধন্যবাদ দিতে না পারার কারণে ফেসবুকে লিখে দিচ্ছি।

‘লিখতে গিয়ে হচ্ছে আরেক বিপদ। একটু পর পর তিশা এসে বসে পাশে, কখনও ইলহাম খেলা করতে চায়। ফলে রোববার শুরু করা লেখাটা মঙ্গলবার এসে শেষ হইলো। বিলম্বিত মা দিবসের শুভেচ্ছার এই হেতু।’

আমার সংবাদ/আর এইচ

Link copied!