Amar Sangbad
ঢাকা মঙ্গলবার, ০৫ জুলাই, ২০২২, ২১ আষাঢ় ১৪২৯

পদ আছে ক্ষমতা নেই ভিসিদের

মুছা মল্লিক

জুন ২২, ২০২২, ১১:৫৩ এএম


পদ আছে ক্ষমতা নেই ভিসিদের

নামমাত্র উপাচার্য দিয়ে চলছে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। উপাচার্য নিয়ে এই জটিলতা দীর্ঘদিনের। দেশে ১০৮টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থাকলেও নিয়মিত উপাচার্য ও উপাচার্য নেই প্রায় ৮০টি  বিশ্ববিদ্যালয়ে। 

এদিকে যেসব বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য আছেন, সেগুলোতেও ট্রাস্টি বোর্ড সদস্যদের চাপ, বেআইনিভাবে উপাচার্যদের দায়িত্বে হস্তক্ষেপ, চাহিদামাফিক কাজ না করলে উপাচার্যদের হেনস্তা করা ও ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে স্বেচ্ছাচারিতা যেন এক নিয়মে পরিণত হয়েছে। 

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০১০ অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী ও একাডেমিক প্রধান উপাচার্য হলেও বাস্তবে এসবের চিত্র ভিন্ন। উপাচার্য থাকলেও নেই ক্ষমতা। নেই সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাধীনতা। আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিতেও নেই কথা বলার সুযোগ। এ যেন পর্দার আড়ালেই ইংরেজ শাসনের আরেক অপশক্তি। 

একাধিক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ও বর্তমান উপাচার্যদের সাথে কথা বলে জানা যায়, ট্রাস্টি বোর্ড সদস্যরা উপাচার্যদের টাকায় নিযুক্ত গোলাম মনে করেন। অফিসের দৈনন্দিন কাজের সব বিষয়ে তারা প্রভাব বিস্তার করার চেষ্টা করেন। 

তাদের স্বেচ্ছাচারিতা নিয়ে বলতে গেলেই রোষানলে পড়তে হয়। বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনায় তাদের এমন বিকৃত মানসিকতা চরমে পৌঁছেছে। ট্রাস্টি বোর্ড সদস্যরা সব বিষয়েই প্রভাব বিস্তার করতে আসেন। তারা দাতা নন বরং নিজেদের বিশ্ববিদ্যালয়ের মালিক মনে করেন।উপাচার্যদের নিয়মিত কাজে প্রভাব বিস্তার করায় ব্যাহত হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক উন্নয়ন, ফলে এসব কারণে ভুক্তভোগী হন সাধারণ শিক্ষার্থীরাও।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গণবিশ্ববিদ্যালয়, শান্তা মারিয়াম ইউনিভার্সিটি ও সাউথ ইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্যদের সাথে কথা হলে তারা জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের  অর্থনৈতিক স্বচ্ছতা বা মানসম্মত শিক্ষক নির্বাচনেও উপাচার্যদের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ করছেন ট্রাস্টি বোর্ড 
সদস্যরা। 

এসব বিষয়ে কেউ প্রতিবাদ করলে কৌশলে সরিয়ে দেয়ার পাঁয়তারাও চালানো হয়। এমন অপ্রত্যাশিত ঘটনা উপাচার্যদের জন্য নিশ্চয়ই অসন্মানজনক। শুধু উপাচার্যরা নন, মাঝেমধ্যে দেখা যায় শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারী স্বেচ্ছায় চাকরি ছেড়ে দেন অথবা চাকরিচ্যুত হন। সবার পদমর্যাদা অনুযায়ী কাজ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের অধিকার তো আইনেই দেয়া হয়েছে। যেখানে কাজের স্বাধীনতা থাকে না, সেখান থেকে ভালো কিছু করা সম্ভব নয় বলেও অভিযোগ তাদের।

দেখা গেছে, বেসরকারি শান্তা মারিয়াম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মিজানুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগ দেয়া হলেও ট্রাস্টি বোর্ড সদস্যদের বাধায় তাকে পদত্যাগে  বাধ্য করা হয়। ঠিক একই ঘটনা ঘটে সাউথ ইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়েও। 

রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগ পেয়েও বেশিদিন সাউথ ইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য পদে থাকতে পারেননি অধ্যাপক ড. মফিজুল ইসলাম। দায়িত্ব গ্রহণের কয়েক মাসের মধ্যেই তাকে উপাচার্য পদ থেকে সরে দাঁড়াতে হয়। এমন অপ্রীতিকর ঘটনা শুধু শান্তা মারিয়াম  বিশ্ববিদ্যালয়, সাউথ ইস্ট বিশ্ববিদ্যালয় বা গণবিশ্ববিদ্যালয়েই নয়। উপাচার্য পদে রাষ্ট্রপতি থেকে নিয়োগ পেলেও বিভিন্ন জটিলতায় নিয়মিত কাজ করতে পারছেন না— এমন উপাচার্যের সংখ্যাও কিন্তু কম নয়। 

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ইউজিসি সূত্র জানায়, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইনে বিভিন্ন পদ ও কমিটির ক্ষমতা বর্ণনা করা হয়েছে। যদিও বাস্তবে এর প্রতিফলন নেই। নিয়ম না মেনে ভারপ্রাপ্ত উপচার্য, উপ-উপাচার্য ও ট্রেজারার দিয়ে কার্যক্রম চলছে বছরের পর বছর। সিন্ডিকেট, অর্থ কমিটি ও একাডেমিক কাউন্সিলের সভা না করেই চলছে একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম। 

বছর শেষে স্বচ্ছতা নিশ্চিতে নিয়মমাফিক করা হচ্ছে অডিট। এর ফলেই ক্ষমতার ভারসাম্য থাকছে না বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে। এছাড়া অনেক বিশ্ববিদ্যালয় আইন অমান্য করে ট্রাস্টি বোর্ড সদস্যদের চাহিদামাফিক কাউকে নামের আগে ‘উপাচার্য’ জুড়ে দেন। ফলে এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনৈতিক অনিয়ম বা অন্য যে কোনো সমস্যা নিজেদের নিয়ন্ত্রণের মাঝেই রাখেন। 

ইউজিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১০-এ ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্যদের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও পেশার বিষয়ে সুস্পষ্ট কোনো  দিকনির্দেশনা নেই। ট্রাস্টি বোর্ড, একাডেমিক কাউন্সিল, উপাচার্য ও সিন্ডিকেটের মধ্যে ক্ষমতা বণ্টনের বিষয়ে বিশদভাবে উল্লেখ নেই। এ কারণে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ট্রাস্টি বোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রমে নেতিবাচক প্রভাব বিস্তার করে থাকে। ফলে মেধাবী শিক্ষক-শিক্ষিকারা প্রায়ই অন্য প্রতিষ্ঠানে চলে যাচ্ছেন। এমন ভয়ানক থাবার শিকার হন খোদ ভিসিরাও।

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সচিব ড. ফেরদৌস জামান আমার সংবাদকে বলেন, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনায় বিদ্যমান আইনের যে দুর্বলতা রয়েছে, তা নিয়ে মঞ্জুরি কমিশন কাজ শুরু করেছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের সমস্যা যাতে তৈরি না হয়, সেদিকেও জোর দেয়া হচ্ছে। এ নিয়ে ইউজিসির একটি কমিটি গত সপ্তাহে সরকারের কাছে একটি সংশোধনী সুপারিশও দাখিল করেছে। 

সেখানে ট্রাস্টি বোর্ডের একক ক্ষমতা খর্ব করার জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। পাশাপাশি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক যেসব উপাচার্য নিয়োগ দেয়া হয়, তারা যেন স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারেন— সে বিষয়ের ওপর জোর দেয়া হচ্ছে। 

এছাড়া সিটিং অ্যালাউন্স বন্ধ করতেও সুপারিশ রয়েছে। আইন অনুযায়ী, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় অলাভজনক প্রতিষ্ঠান। সুতরাং এ জায়গা থেকে কোনো মুনাফা গ্রহণের সুযোগ নেই। কিন্তু উদ্যোক্তারা যেহেতু মোটা অঙ্কের অর্থ বিনিয়োগ করেন, তাই সেখান থেকে মুনাফাও প্রত্যাশা করেন। আইনে না থাকলেও এ অর্থ আদায়ের কারণে পারিবারিক প্রতিষ্ঠানে রূপ নেয় এসব বিশ্ববিদ্যালয়। শুরু হয় নয়-ছয় করা। 

সুতরাং উপাচার্যরা এ অনিয়ম নিয়ে কথা বলতে গেলেই সমস্যা প্রকট হয়। উদ্যোক্তারা যেখানে অলাভজনক প্রতিষ্ঠান জেনেও বিনিয়োগ করেন, সেখানে মুনাফা প্রত্যাশা করাটা দুঃখজনক। তবে এ সমস্যা সমাধানে বিশদ আলোচনার ঘাটতি রয়েছে। পাশের দেশ ভারতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মুনাফার একটি অংশ বোর্ডের সদস্যরা গ্রহণ করতে পারেন। কিন্তু বাংলাদেশে সে সুযোগ নেই। সুতরাং সমস্যা সমাধানে উদ্যোক্তাদের সাথে গোলটেবিল বৈঠক করা জরুরি।

এ প্রসঙ্গে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান আমার সংবাদকে বলেন, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যদের ওপর অনৈতিক হস্তক্ষেপের অভিযোগ দীর্ঘদিনের।  এখানে উপাচার্যদের ক্ষমতা বলে কিছু নেই। তবে উপাচার্যদের ক্ষমতা ও স্বাধীনভাবে কাজ করার পরিবেশ নিশ্চিত করতে ইউজিসি কাজ করছে। 

এর বাইরে আরও অনেক অভিযোগ রয়ে গেছে। আইন অনুযায়ী উপাচার্য নিয়োগের ক্ষেত্রে আচার্যের কাছে তিনজন অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপকের নাম সুপারিশ করার কথা। সেখান থেকে আচার্য (মহামান্য রাষ্ট্রপতি) একজনকে দায়িত্ব দেন। তবে উপাচার্যদের বেতন-ভাতা বা অন্যান্য সুবিধা নিয়ে উদ্যোক্তারাই সমঝোতা করেন। 

দেখা গেছে, উপাচার্য নিয়োগের এ প্রক্রিয়ায় একজন অধ্যাপককে মাসিক চার লাখ টাকা দেয়ার কথা বলে তার নাম সুপারিশ করা হয়। কিন্তু নিয়োগের পর উদ্যোক্তারা সেই অর্থ দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। এমন অনেকেই আছেন, যারা কখনো একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় বা মাদ্রাসাও প্রতিষ্ঠা করেনি। এমনকি তাদের পরিবারের কোনো সদস্য বা তার পিতামাতাও এমন কিছুই করেননি। 

উচ্চশিক্ষা সম্পর্কে তাদের জানাশোনারও ঘাটতি রয়েছে, অথচ তারাই হয়ে উঠছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোক্তা। গার্মেন্ট ব্যবসায়ী, ফিশারিজ ব্যবসায়ী, জাহাজ ব্যবসায়ী, এমনকি সয়াবিন তেলের ব্যবসায়ীরাও বিশ্ববিদ্যালয়ের মালিক বনে যাচ্ছেন! এসব ব্যবসায়ী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকেও নতুন ব্যবসাক্ষেত্র হিসেবে দেখছেন। ফলে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে রূপ নিচ্ছে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়।

পূর্বে যা-ই হোক না কেন, আগামীতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন দেয়ার আগে দেখা উচিত শিক্ষাক্ষেত্রে তার এবং তাদের পরিবারের অবদান রয়েছে কি-না। যাদের শিক্ষাক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে, শুধু তাদেরই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার অনুমোদন দেয়া উচিত। শুধু টাকা থাকলেই ব্যবসায়ীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের মালিক বনে যাওয়ার এ সংস্কৃতি হতাশাজনক। যাদের নিজেদের শিক্ষার প্রতি আগ্রহ নেই এবং কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও গড়ে তোলেননি, তাদের ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য না রাখার বিধান করা উচিত। 

দেখা গেছে, ট্রাস্টি বোর্ডের মালিকদের ভাই, ভাইয়ের স্ত্রী ও ভাগিনারাও বোর্ডের সদস্য হয়ে যাচ্ছেন। এরাই আবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ থেকে শুরু করে গুরুত্বপূর্ণ পদে বসে মোটা অঙ্কের বেতন গ্রহণ করছেন। অথচ আইন অনুযায়ী উদ্যোক্তাদের পরিবারের কেউ বেতনভুক্ত বা লাভজনক কোনো পদে থাকতে পারবেন না। কিন্তু এগুলোর কোনোটিই মানা হচ্ছে না। সুতরাং উপাচার্যদের ক্ষমতা নিশ্চিত করে আইনের যথার্থ প্রয়োগের মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান করা প্রয়োজন।

এ বিষয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. মো. হারুন-উর-রশিদ আসকারী আমার সংবাদকে বলেন, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে শুধুমাত্র উপাচার্যরা বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন তা কিন্তু নয়, উপ-উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষদেরও দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর উদাহরণ কম নয়। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে এমন সমস্যা অপ্রত্যাশিত। সমস্যা সমাধানে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন, উপাচার্য প্যানেল ও ট্রাস্টি বোর্ড সদস্যদের সমন্বয় প্রয়োজন। 

পাশাপাশি রাষ্ট্রপতি থেকে নিয়োগপ্রাপ্ত উপাচার্যরা দায়িত্ব পালনে কোনো প্রতিবন্ধকতার শিকার হচ্ছেন কি না, এ নিয়ে একটি মনিটরিং সেল করা যেতে পারে। যেখানে মন্ত্রণালয় ও ইউজিসির প্রতিনিধিরা ভিসিদের দায়িত্ব পালনের স্বচ্ছতা ও ট্রাস্টি বোর্ডের অনিয়ন্ত্রিত হস্তক্ষেপ সম্পর্কে পদক্ষেপ নেবে। মহামান্য রাষ্ট্রপতি থেকে নিয়োগ পেয়েও উপাচার্যরা মেধা, প্রজ্ঞা ও বিবেচনা দিয়ে স্বাধীনভাবে কাজ করতে না পারলে তা বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল লক্ষ্য ব্যাহত হয়। 

দেখা গেছে, যেসব উপাচার্য ট্রাস্টি বোর্ড সদস্যদের ঔপনিবেশিক মানসিকতার সাথে খাপ খাওয়াতে পারেন না, বেশিরভাগ তারাই দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ান। অনেকে আবার এমন পরিস্থিতির সাথে খাপ খাওয়াতে চেষ্টা করেন। ফলে মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হয়। 

সুতরাং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন, উপাচার্য প্যানেল ও ট্রাস্টি বোর্ড সদস্যদ— এই চারপক্ষীয় একটি সমঝোতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। কাজ করার ক্ষেত্রে উপাচার্যদের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে না পারলে তারা অসহায় বোধ করবেন। পাশাপাশি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বাণিজ্যিক মানসিকতা ক্রমশ বৃদ্ধি পাবে। এক্ষেত্রে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ইউজিসিকে এগিয়ে আসতে হবে।