টাঙ্গাইল-৭ আসন

মির্জাপুরে সম্ভাব্য প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ, নৌকায় চড়তে চান ৯ জন

মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি প্রকাশিত: নভেম্বর ২২, ২০২৩, ০৭:১৩ পিএম

ঢাকার অদূরে অবস্থিত ১৩৬ টাঙ্গাইল-৭ আসন। দানবীর রণদা প্রসাদ সাহার কুমুদিনী হাসপাতাল, ভারতেশ্বরী হোমস্, ক্যাডেট কলেজ, মহেড়া জমিদারবাড়ি ও পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারসহ নানা স্থাপনা থাকায় এ আসনটি ঢাকা বিভাগের মধ্যে স্বনামধন্য এলাকা হিসেবে সুপরিচিত। আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে তফসিল ঘোষণার পর থেকেই ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থী ও নেতাকর্মী-সমর্থকেরা ভোটের দুয়ারে ঘুরছেন দিনরাত। দাবি আদায় না করে বিএনপি নির্বাচনে অংশ না নিলেও আ.লীগের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন অন্যান্য আরও কয়েকটি রাজনৈতিক দল।

এ আসনে আওয়ামী লীগের বর্তমান সংসদ সদস্য ও টাঙ্গাইল জেলা আ.লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খান আহমেদ শুভ ছাড়াও নৌকার মনোনয়ন চেয়েছেন উপজেলা আ.লীগের সভাপতি মীর শরীফ মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার তাহরীম হোসেন সীমান্ত, সহ-সভাপতি আবুল কালাম আজাদ লিটন, সহ-সভাপতি সৈয়দ ওয়াহিদ ইকবাল, জেলা আ.লীগের সদস্য অবসরপ্রাপ্ত মেজর খ. আবদুল হাফিজ, জেলা আ.লীগের সদস্য রাফিউর রহমান খান ইউসুফজাই সানি, বাংলাদেশ জাতীয় পল্লী উন্নয়ন ফেডারেশনের চেয়ারম্যান খন্দকার বিপ্লব মাহমুদ উজ্জ্বল, নারী প্রার্থী হিসেবে কেন্দ্রীয় মহিলা আ.লীগের সদস্য মাহবুবা শাহরীন। অপরদিকে উপজেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সাধারণ সম্পাদক আরমান তালুকদার তাপস, জাতীয় পার্টির দুই পন্থি হওয়ায় প্রার্থী নিয়ে রয়েছে দ্বিধা-দ্বন্দ, তবে এ দল থেকে এবারও জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য জহিরুল ইসলাম জহির (জিএম কাদের) ও জাতীয় পার্টির সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির যুগ্ম-আহ্বায়ক নুরুল ইসলাম নুরু’র (রওশন এরশাদ) নাম শোনা যাচ্ছে। বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির টাঙ্গাইল জেলা শাখার সভাপতি গোলাম নওজব পাওয়ার চৌধুরী নির্বাচনে অংশ নেবেন। বাংলাদেশ কংগ্রেস’র সদস্য রুপা রায় চৌধুরী, এরআগে নির্বাচনে অংশ নিয়ে দুইবার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে, তিনি এবারও নির্বাচনে অংশ নেবেন। এদিকে স্বতন্ত্র থেকে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর এনায়েত হোসেন মন্টু ও মহেড়া পেপার মিলস্’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মো. মোশারফ হোসেন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করেছেন।

১৩৬ টাঙ্গাইল-৭ নির্বাচনী আসনের সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাকিলা বিনতে মতিন জানান, নির্বাচনের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন প্রায়। যেকয়েকটি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র ছিলো সেগুলো পরিদর্শন করে ঠিক করা হয়েছে। অল্প কিছুদিনের মধ্যে প্রিজাইডিং ও পোলিং অফিসারদের নির্বাচনী প্রশিক্ষণ দেয়া হবে।

যেকোনো অপ্রীতিকর ও নৈরাজ্য ঠেকাতে পুলিশ সর্বদা কাজ করে যাচ্ছে, তারই ধারাবাহিকতায় সংসদ নির্বাচনেও পুলিশ তার যথাযথ দায়িত্ব পালন করবে বলে জানিয়েছেন মির্জাপুর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রেজাউল করিম।

প্রসঙ্গত, একটি পৌরসভা ও ১৪টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এ আসনে মোট ভোটার ৩ লক্ষ ৫৮ হাজার ৪৩৮। এরমধ্যে পুরুষ ১ লক্ষ ৮০ হাজার ২০৭ ও মহিলা ভোটার ১ লক্ষ ৭৮ হাজার ২২৫ জন ও তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৬ জন।

এআরএস