নিজ দলীয় আলোচনা সভা চলাকালে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় ফরিদপুরের সালথা উপজেলা গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি মো. ফারুক ফকিরকে সাময়িকভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
সোমবার সকালে ফরিদপুর জেলা গণঅধিকার পরিষদের দপ্তর সম্পাদক আলামিন হোসেন লিখিত প্রেসবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত শনিবার (২৩ আগস্ট) বিকেলে সালথা উপজেলা গণঅধিকার পরিষদের আলোচনা সভায় অনাকাঙ্খিত বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। প্রাপ্ত তথ্য ও উপস্থিতদের বর্ণনায় দেখা গেছে, সভায় সভাপতি ফারুক ফকিরের সরাসরি ইন্দনে পরিকল্পিতভাবে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা হয়। ফরিদপুর জেলা গণঅধিকার পরিষদের জরুরি সিদ্ধান্ত মোতাবেক তাকে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
অব্যাহতি পাওয়ার পর মো. ফারুক ফকির জানান, “সালথার সভায় ঘটে যাওয়া মারামারির ঘটনায় আমি সম্পৃক্ত নই। বরং পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি, নইলে আরও বড় ধরণের ঘটনা ঘটতে পারত। তারপরও আমাকে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি সাংগঠনিকভাবে মোকাবেলা করব।”
উল্লেখ্য, ফরিদপুর জেলা গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ মিয়া ও সালথা উপজেলা সভাপতি ফারুক ফকির ফরিদপুর-২ (সালথা-নগরকান্দা) আসনের এমপি মনোনয়ন প্রত্যাশী। শনিবার (২৩ আগস্ট) বিকেলে সালথা বাইপাস সড়কে দলের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় মনোনয়ন প্রত্যাশী ফরহাদ হোসেন ও ফারুক ফকিরের সমর্থকরা মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও উচ্চতর পরিষদের সদস্য মাহফুজুর রহমান খান। পরে কেন্দ্রীয় নেতার মধ্যস্থতায় পরিস্থিতি শান্ত হয় এবং আলোচনা সভা সংক্ষিপ্ত আকারে শেষ হয়।
ইএইচ