সিলেটের গোয়াইনঘাটে বালুখেকোদের নির্বিচারে বালু লুটপাটের প্রতিবাদ করার কারণে একাধিক মিথ্যা মামলায় বিএনপি নেতা ও ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন তালুকদার কারাগারে রয়েছেন।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেছেন, পুলিশ ও বালুখেকোদের সমন্বয়ে তাকে ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।
রোববার সিলেটে সংবাদ সম্মেলন করে এই অভিযোগ করেন বাংলাবাজার ও মুকতলা ব্যবসায়ী সমিতির নেতারা। সংবাদ সম্মেলনে ব্যবসায়ীদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন নুরুল ইসলাম।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, রিয়াজ উদ্দিন তালুকদার ২০২৪ সালের ২৯ জুলাই দুদক আইনে সিলেটের আদালতে মামলা দায়ের করেছিলেন। তিনি বাংলাবাজার-মুকতলা ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি এবং গোয়াইনঘাট উপজেলা বিএনপির ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক। তিনি স্থানীয় বালু লুটের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন এবং ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বালুখেকোদের কার্যক্রমের প্রতিবাদ করেন।
নুরুল ইসলাম বলেন, “রিয়াজ উদ্দিন তালুকদার সরকারের পাল্টা সময়ে বালুখেকোদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন। তবে বালুখেকোরা তার ওপর একাধিকবার সশস্ত্র হামলা চালায় এবং জাফলং ব্রিজে দায়ের করা এক মামলায় তাকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে আসামি করা হয়। ঘটনার সময় তিনি ঢাকায় অবস্থান করছিলেন, তবুও তাকে, তার ভাই ও ভাতিজাসহ ব্যবসায়ীদের আসামি করা হয়েছে।”
তিনি আরও জানান, গোয়াইনঘাট, বাংলাবাজার ও হাজীপুরসহ কয়েকটি এলাকা থেকে বালু লুটের নেতৃত্ব দেন বিএনপি নেতা স্ট্যালিন তারিয়াং ও তার সমর্থকরা। এই ঘটনায় কিছু পুলিশ কর্মকর্তাও বিতর্কের মুখে পড়েছেন। সংবাদ সম্মেলনে তারা গোয়াইনঘাটের বালু লুটের ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্ত এবং রিয়াজ উদ্দিন তালুকদারের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা থেকে অব্যাহতির দাবি জানিয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাবাজার-মুকতলা ব্যবসায়ী সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি মাতাউর রহমান মাতাইসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
ইএইচ