বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটি ও মৌলভীবাজার জেলা শাখা থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কৃত সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ইসহাক আহমেদ চৌধুরী মামনুন অভিযোগ করেছেন, তাকে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বুধবার মৌলভীবাজারে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বহিষ্কারের পেছনের ঘটনা তুলে ধরে সত্য উদঘাটনের আহ্বান জানান।
মামনুন বলেন, “আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ নেই। আমাকে কারণ দর্শানোর বা আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগও দেওয়া হয়নি। এটি সম্পূর্ণ গঠনতন্ত্রবিরোধী ও অন্যায় সিদ্ধান্ত।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, জেলা কমিটির সদস্য সচিব আহমেদ আহাদ ও সাংগঠনিক টিমের প্রধান ডা. জাহিদুল কবির একক আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা করছিলেন। তাদের অসাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ করায় তাকে পরিকল্পিতভাবে নিশানা করা হয়েছে।
মামনুন ছাত্রদল থেকে রাজনীতি শুরু করে স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় ও জেলা কমিটিতে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বলেন, তিনি কোনো সময় চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি বা অবৈধ উপার্জনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না এবং ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে সব আন্দোলনে রাজপথে সক্রিয় ছিলেন।
বহিষ্কৃত হওয়ার পরও মামনুন তারেক রহমানের কাছে বিচার প্রার্থনা করেছেন। তিনি বলেন, “আমার বহিষ্কার নেতাকর্মীদের মাঝে গভীর হতাশা তৈরি করেছে। আমি আশা করি, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেশনায়ক তারেক রহমান সঠিক তদন্ত করে সত্য উদঘাটন করবেন।”
তিনি আরও জানান, বহিষ্কার হলেও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমান-এর আদর্শকে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত অনুসরণ করবেন।
এর আগে, ৩১ আগস্ট স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক স্বাক্ষরিত এক পত্রে তাকে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়।
ইএইচ