রংপুরে মৎস ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, প্রাণি থেকে মানুষের দেহে রোগ ছড়ানো মারাত্মক হতে পারে। তাই প্রাণির রোগ নিয়ন্ত্রণ করা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব। বিশেষ কোনো রোগ শনাক্ত হলেই তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। সকল প্রাণিকে ভ্যাকসিনের আওতায় আনার জন্য সরকার ভ্যাকসিন উৎপাদনের কার্যক্রম শুরু করবে।
রোববার দুপুরে রংপুর আরডিআরএস বেগম রোকেয়ার মিলনায়তনে লাইভস্টক এন্ড ডেইরি ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টের আয়োজনে বিভাগীয় কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা জানান।
উপদেষ্টা বলেন, নিরাপদ মাংস, দুধ ও ডিম নিশ্চিত করতে হলে প্রাণিকে নিরাপদ ও রোগমুক্ত রাখতে হবে। যেহেতু ভ্যাকসিন আমদানী হয়, তাই খামারীরা ব্যয়সাপেক্ষ কারণে সঠিকভাবে ভ্যাকসিন দিতে পারছেন না। তাই সরকার সকল প্রাণিকে ভ্যাকসিনের আওতায় আনার চেষ্টা করছে। এছাড়া বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার “ওয়ান হেলথ কনসেপ্ট” অনুসরণ করে মানুষ ও প্রাণির স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সরকার কাজ করছে।
কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন মৎস ও প্রাণি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মুহাম্মদ জাবের, যুগ্ম সচিব মোসাম্মৎ জোহরা খাতুন, বিভাগীয় প্রাণি সম্পদ কার্যালয়ের পরিচালক ডা. আব্দুল হাই সরকারসহ রংপুর বিভাগের ৮ জেলার মৎস ও প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তারা।
শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ হাসিনার ছবি প্রদর্শনে উত্তেজনা
কর্মশালায় মাল্টিমিডিয়া প্রেজেন্টেশনের সময় প্রকল্প সমন্বয়কারী গোলাম রব্বানী একটি স্লাইডে হলরুমে উপস্থিত অতিথিদের মাথার উপর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি দেখানোর কারণে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী অন্তর্বতীকালীন সরকারের সময়ের ছবি প্রদর্শন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিবাদ জানানো হয় এবং এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শাস্তির দাবি ওঠে।
এ বিষয়ে মৎস ও প্রাণি সম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেন, “এটি ইচ্ছাকৃতভাবে হয়েছে কিনা আমরা নিশ্চিত নই। তবে যদি ইচ্ছাকৃতভাবে হয়ে থাকে, তা চরমভাবে অগ্রহণযোগ্য। যিনি মাল্টিমিডিয়া উপস্থাপন করেছেন, তিনি ভূলক্রমে এটি করেছেন এবং ক্ষমা চেয়েছেন।”
তিনি আরও বলেন, “ফ্যাসিবাদ বিভিন্ন রূপে রয়ে গেছে। বিষয়গুলো জানতে পেরে আমরা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করছি।”
ইএইচ