ভিক্ষাবৃত্তি একটি সামাজিক ব্যাধি: ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার

বি.এম. খোরশেদ, মানিকগঞ্জ প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৫, ০৩:৩৫ পিএম

ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী বলেছেন, “ভিক্ষাবৃত্তি একটি সামাজিক ব্যাধি। সরকার ভিক্ষুকদের পুনর্বাসনের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের আওতায় আনতে কাজ করছে। যারা পুনর্বাসিত হচ্ছেন, তারা যেন আর পুনরায় ভিক্ষাবৃত্তিতে না জড়ান, সেদিকে নজর রাখতে হবে।”

বুধবার সকালে মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলায় ভিক্ষুক পুনর্বাসন কর্মসূচির আওতায় দোকান ও অটোরিকশা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

উপজেলার ভূমদক্ষিণ বাজার এলাকায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিভাগীয় কমিশনার আরও বলেন, সরকারের এই উদ্যোগের মাধ্যমে পুনর্বাসিত ব্যক্তিরা আত্মকর্মসংস্থানের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হয়ে সমাজে মর্যাদার সঙ্গে জীবনযাপন করতে পারবেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- মানিকগঞ্জের জেলা প্রশাসক ড. মানোয়ার হোসেন মোল্লা (যুগ্ম সচিব), জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক আব্দুল বাতেন, সিংগাইর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামরুল হাসান সোহাগসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সমাজসেবা বিভাগের কর্মকর্তারা।

অনুষ্ঠানে সিংগাইর উপজেলার ৬ জন ভিক্ষুককে বিনামূল্যে ৬টি দোকান এবং একজনকে একটি অটোরিকশা বিতরণ করা হয়।

এর আগে সিংগাইর পৌরসভার আঙ্গারিয়া এলাকায় গীতা রায় ভবনে বাংলাদেশে বেলারুশের অনারারি কনসাল ও লেদার ইন্ডাস্ট্রিজ অব বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শিল্পপতি অনিরুদ্ধ কুমার রায়ের উদ্যোগে ৭৭টি পূজামণ্ডপে আর্থিক অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন বিভাগীয় কমিশনার।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব রথিন্দ্রনাথ দত্তের সঞ্চালনায় এ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক ড. মানোয়ার হোসেন মোল্লা (যুগ্ম সচিব), অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ আলী, সিংগাইর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামরুল হাসান সোহাগ, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জে. ও. এম. তৌফিক আজম, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য বাবু সত্যেন কান্ত পণ্ডিত ভজন, সিংগাইর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান মাহাবুবুর রহমান মিঠু এবং উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ইতি রানী সাহা।

পরে উপজেলার ৭৭টি পূজামণ্ডপের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের হাতে ২০ হাজার টাকা করে অনুদান তুলে দেন বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী ও শিল্পপতি অনিরুদ্ধ কুমার রায়।

ইএইচ