ইউএনওর সহযোগিতায় ৫ মানসিক ভারসাম্যহীন নারী-পুরুষ মিরপুর আশ্রয়ণ কেন্দ্রে

জসীম উদ্দিন জয়নাল, পার্বত্যাঞ্চল প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৫, ০৪:৩৭ পিএম

খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা উপজেলায় বিভিন্ন স্থান থেকে আসা মানসিক ভারসাম্যহীন ৫ নারী-পুরুষকে মাটিরাঙ্গা উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সহযোগিতায় নতুন ঠিকানা দেওয়া হয়েছে মিরপুর সরকারি আশ্রয়ণ কেন্দ্রে।

মঙ্গলবার দুপুরে মাটিরাঙ্গা থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মো. আক্তার হোসেনের নেতৃত্বে একটি টীম তাদের ঢাকার উদ্দেশ্যে নিয়ে যায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে মাটিরাঙ্গায় অবস্থান করছিলেন এই পাঁচ নারী-পুরুষ। তারা দর্বিসহ জীবন যাপন করার পাশাপাশি স্থানীয়দের জন্যও বিরক্তির কারণ হয়ে উঠেছিল। 

সচেতন মহলের নানা অনুরোধের পর, ভবঘুরে ও নিরাশ্রয় ব্যক্তি আইন ২০১৫ অনুযায়ী মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নার্গিস সুলতানা তাদের মিরপুর সরকারি আশ্রয়কেন্দ্রে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নার্গিস সুলতানা, মাটিরাঙ্গা উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মো. আব্দুর রাশেদ, মাটিরাঙ্গা থানার এএসআই মো. আক্তার হোসেন, সাংবাদিক এবং যুব রেডক্রিসেন্ট ইউনিটের নেতৃবৃন্দ।

এর আগে, মাটিরাঙ্গা উপজেলা যুব রেডক্রিসেন্ট ইউনিট ও পৌরসভার পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তিদের গোসল করিয়ে নতুন কাপড়-চোপড় পরিয়ে দেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার নার্গিস সুলতানা বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন জায়গা থেকে আসা ভবঘুরে ও মানসিক ভারসাম্যহীন এই পাঁচ নারী-পুরুষ দর্বিসহ জীবন যাপন করছিলেন এবং স্থানীয়দের জন্য বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। সচেতন মহলের দাবীর প্রেক্ষিতে উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়, স্থানীয় সচেতন মহল এবং মাটিরাঙ্গা কাঠ ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শাহ জালাল কাজলের সার্বিক সহযোগিতায় তাদের মিরপুর সরকারি আশ্রয়ণ কেন্দ্রে প্রেরণ করা হয়েছে।”

 

ইএইচ