১৮ বছরেও মেলেনি ইটের ছোঁয়া, শিক্ষার্থীরা হাঁটে পানির ভেতর

কক্সবাজার প্রতিনিধি প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৫, ১১:১৬ এএম

কক্সবাজারের পেকুয়ার সদর ইউনিয়নের শেখেরকিল্লা ঘোনা এলাকার মানুষদের যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম দেড় কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের এ সড়ক। বর্তমানে পুরো সড়কজুড়ে কাদা আর খানাখন্দের ভরপুর। একটু বৃষ্টি হলে পানি জমে গিয়ে মিনি পুকুরে রূপান্তর হয়। দেড় যুগ ধরে সড়কটির উন্নয়নে নজর পড়েনি কোনো দফতরের।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সড়ক আছে দেড় কিলোমিটার কিন্তু সামান্য জায়গায় ইটও আছে। বাকী জায়গাজুড়ে খানাখন্দের ভরপুর। মানুষ চলাচল করতে হিমশিম খাচ্ছে। রাস্তার উপর বালুর বস্তা দিয়ে হিমশিম চলাচল করছে। ওইদিক থেকে একজন আসলে এদিক থেকে যাওয়া যায় না অপেক্ষা করতে হয়। তাছাড়া পাশের জমির সাথে মিশে যাচ্ছে সড়কটি। অনেক জায়গায় পাশের ডোবা নালা থেকে কচুরি পনা এসে সড়কের উপর জমা হয়েছে। যানবাহন চলাচল তো দূরের কথা হেঁটে চলাও কষ্ট সাধ্য হয়ে গেছে।  

স্থানীয় বাসিন্দা কাইম জানান, প্রায় ১৮ বছর আগে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সড়কটির আংশিক উন্নয়ন করে। এরপর আর কোনো উন্নয়ন হয়নি। সাম্প্রতিক সময়ে কিছু মাটি ফেলা হলেও তা বর্ষায় ধুয়ে গিয়ে কাদা হয়ে গেছে।

এই সড়ক দিয়ে পেকুয়া সদর ইউনিয়ন, শেখেরকিল্লা ঘোনা এলাকার লোকজনসহ পেকুয়া সরকারি জি এম সি ইনস্টিটিউশন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শত শত শিক্ষার্থীরা যাওয়া আসা করে। তাদের চলাচলের একমাত্র মাধ্যম। প্রতিদিনই ভোগান্তির শিকার হতে হয় তাদের। মিজান জানান, এ সড়কটি সামান্য জেলা পরিষদের সদস্য জাহাঙ্গীর আলম ইট দিয়ে সংস্কার করছিলেন এবং তাহার আগে ২০০৩ সালে ইউপির বরাদ্দ থেকে ও সংস্কার করা হয়েছিল। কিন্তু পুরো সড়কটি করা হচ্ছে না। 

এ ব্যাপারে ৪, ৫, ৬নং ওয়ার্ডের মহিলা ইউপি সদস্য জায়তুনেচ্ছা বিজু বলেন, এ সড়কের বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান মহোদয় কে অবগত করেছি। তিনি পরিষদ থেকে বরাদ্দ দিলে কাজ শুরু করতে পারবো।

পেকুয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম বাহাদুর শাহর সাথে যোগাযোগ করার জন্য ওনার মুঠোফোনে কল করলে সংযোগ না পাওয়ায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। 

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের পেকুয়া উপজেলা প্রকৌশলী সৌরভ দাশ বলেন, এলাকাবাসী আবেদন করলে তা আগামীতে প্রকল্প আসলে রাস্তাটি উন্নয়ন করা হবে।

জেএইচআর