বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রংপুর মহানগরের সহকারী সেক্রেটারি ও রংপুর-১ আসনে দলীয় মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মো. রায়হান সিরাজী বলেছেন, পিআর পদ্ধতি বাস্তবায়ন হলে কালো টাকা, মনোনয়ন বাণিজ্য ও ফ্যাসিবাদসহ নানা অপকর্ম বন্ধ হয়ে যাবে। একসময় শেখ হাসিনা শুধু উন্নয়নের কথা বলতেন, এখন আরেক দল শুধু নির্বাচনের কথা বলে। অথচ শহীদদের রক্তের বিচার হয়নি, আহতরা মানবিক অধিকার থেকে বঞ্চিত। শহীদদের খুনিদের বিচার এবং লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে।
শুক্রবার বিকাল সাড়ে চারটায় রংপুরের গঙ্গাচড়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে উপজেলা জামায়াতের উদ্যোগে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
সমাবেশে জামায়াতের সমর্থক ও হিন্দু সম্প্রদায়ের সদস্য নরেশ চন্দ্র বলেন, একমাত্র জামায়াতই বাংলাদেশের মানুষের নিরাপত্তা দিতে পারে। একটি ভুলের খেসারত হিসেবে আমাকে ১৬ বছরের জেল-জুলুম ও নির্যাতন সইতে হয়েছে। তাই আগামী নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়ে জামায়াতে ইসলামীর বিজয় নিশ্চিত করতে হবে। কারণ জামায়াত মানুষের মৌলিক অধিকার আদায়ে সক্ষম।
উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা নায়েবুজ্জামানের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা সাইফুল ইসলামের সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন— জেলা জামায়াতের সাবেক নায়েবে আমির অধ্যক্ষ আব্দুল গনি, সাবেক উপজেলা আমির প্রিন্সিপাল শফিকুল আলম, পরশুরাম থানা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট মাহবুব আলম, উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমির অধ্যাপক তাজ উদ্দিন এবং ইসলামী ছাত্রশিবিরের রংপুর জেলা সেক্রেটারি হামিদুল ইসলাম।
এর আগে বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে সমাবেশ শেষে এক বিক্ষোভ মিছিল গঙ্গাচড়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে শুরু হয়ে উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে শেষ হয়।
ইএইচ