র্যাবের ওপর হামলা চালিয়ে তাকে ছিনিয়ে নেওয়া সিদ্ধিরগঞ্জের শীর্ষ সন্ত্রাসী ও ডাকাত সর্দার সাহেব আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বুধবার সুনামগঞ্জ থেকে র্যাব-১১ ও র্যাব-৯-এর যৌথ আভিযানিক দল তাকে আটক করে। সাহেব আলীর বিরুদ্ধে ২০টিরও বেশি মামলা রয়েছে।
সিদ্ধিরগঞ্জের আদমজীনগর র্যাব-১১-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এইচএম সাজ্জাদ হোসেন বৃহস্পতিবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিস্তারিত জানান।
তিনি বলেন, “সাহেব আলী নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের আটিগ্রামের দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী ও ডাকাত। অভিযান চালিয়ে বুধবার সকালে সুনামগঞ্জ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।”
গত ৩০ সেপ্টেম্বর রাতে ডাকাত সর্দার সাহেব আলীকে গ্রেপ্তার করতে সিদ্ধিরগঞ্জের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বউবাজার এলাকায় সাদা পোশাকে অভিযান চালানো হয়। এ সময় তাকে আটক করা হলেও তার সহযোগীরা র্যাব সদস্যদের ওপর হামলা চালিয়ে তাকে ছিনিয়ে নেয়। সন্ত্রাসীদের হামলায় র্যাব সদস্যসহ চারজন আহত হন।
ওইদিন রাতে এক সহযোগীসহ সাহেব আলীকে আটক করে সাদা পোশাকধারী র্যাবের একটি অভিযানিক দল। পরে দুজন র্যাব সদস্যের পাহারায় তাদের ওয়াপদা কলোনি বউবাজার তিন রাস্তার মোড়ে একটি চায়ের দোকানে রেখে সাহেব আলীর সহযোগীদের আটক করতে যান র্যাবের অন্য সদস্যরা। তখন সাহেব আলীর সহযোগীরা এসে র্যাব সদস্যদের ওপর আকস্মিক হামলা চালিয়ে তাকে ছিনিয়ে নেয়। এরপর থেকে সাহেব আলী আত্মগোপনে ছিলেন।
গতকাল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে গত ৫ অক্টোবর গাজীপুরের গাছা থানার চান্দুরা থেকে সাহেব আলীর স্ত্রী ও ছেলেসহ চার সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে খেলনা পিস্তল উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলো— সাহেব আলীর স্ত্রী কল্পনা বেগম, তার ছেলে সাজীব, শ্যালক শামীম মিয়া, সাহেব আলীর সহযোগী মৃত বাচ্চু মিয়ার ছেলে হাফিজ শেখ, আব্দুল মজিদের ছেলে আমিনুল ইসলাম ও মৃত হাশেমের ছেলে মো. আকবর। র্যাব সদস্যদের ওপর হামলার ঘটনায় তারা জড়িত বলে জানান কর্তৃপক্ষ।
ইএইচ