নির্বাচন বানচালের যেকোনো ষড়যন্ত্র সফল হবে না: সেলিমুজ্জামান

কাশিয়ানী (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি প্রকাশিত: অক্টোবর ১৭, ২০২৫, ০৯:০৬ পিএম

বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিমুজ্জামান সেলিম বলেছেন, ফেব্রুয়ারি মাসে নির্বাচনের ঘোষণা এসেছে। জাতি এখন নির্বাচনে ভোট দিতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। কিন্তু আমরা দেখছি, কিছু কুচক্রী মহল নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র করছে। সেই ষড়যন্ত্র সফল করতে দেওয়া হবে না। দেশের জনগণ ওই ষড়যন্ত্র রুখে দেবে।

শুক্রবার বিকাল ৪টায় গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার পাটিকেলবাড়ি ও পাইকবাড়ি'র আয়োজনে চান্দার বিলে আবহমান গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণকালে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, “এবার নতুন প্রজন্ম ভোট দেয়ার সুযোগ পেয়েছে, তাদের উৎসাহ-উদ্দীপনা এতটাই প্রবল যে, কেউ নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করলে সফল করতে পারবে না।”

তিনি আরও বলেন, “বিএনপি ও গণতন্ত্রমনা সব দল একসঙ্গে কাজ করছে গণতন্ত্রের পথে ফিরে যাওয়ার জন্য। মানুষের প্রত্যাশা হলো যোগ্য প্রার্থীরাই নমিনেশন পাবেন এবং সংসদে গিয়ে দেশ ও জাতির উন্নয়নে কাজ করবেন। আমরা চাই একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন, যেখানে ভোটাররা স্বাধীনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করে প্রতিনিধি বেছে নিতে পারবেন।”

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ফনিন্দ্রনাথ বিশ্বাস এবং সঞ্চালনা করেন হারাধন বিশ্বাস।

এ সময় মুকসুদপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুস ছালাম খান, সাধারণ সম্পাদক তারিকুল ইসলাম রাজু, পৌর বিএনপির সভাপতি আবুল বাশার টুলটু, সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান মিন্টু, মুকসুদপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র সাজ্জাদ করিম মন্টু, বিএনপি নেতা মোয়াজ্জেম হোসেন মিন্টু, যুবদলের কেন্দ্রিয় কমিটির সাবেক সহ সাহিত্য ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদুল হাসান বাপ্পী, স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রিয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক সাগর মজুমদার, কাশিয়ানী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক ফোরকান শরীফ টিটু, উজানি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. ফরিদ মোল্লাসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে পাটিকেলবাড়ি ও পাইকবাড়ি'র চান্দার বিলে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত হয়। নৌকা বাইচ দেখতে কাশিয়ানী ও মুকসুদপুর উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম থেকে হাজার হাজার দর্শক নদী পাড়ে উপযুক্ত স্থান গ্রহণ করেন। তারা নৌকা বাইচ উপভোগ করেন। এ অঞ্চলের মানুষের কাছে নৌকা বাইচ বিশেষ ভূমিকা রাখে। এই দিনটির জন্য সারা বছর এলাকা বাসী অপেক্ষা করে বসে থাকেন।

ইএইচ