পোরশা উপজেলার আমল ধান খেতে কারেন্ট পোকার উপদ্রবে কৃষক দিশেহারা রস খেয়ে শীষ দানা শূন্য।
আজ পোরশা উপজেলার আমন ধানের ক্ষেত ঘুরে দেখা যায় কারেন্ট পোকা এমন ভাবে আক্রমণ করেছে মাঠ থেকে ফসল ঘরে তুলতে পারবে না কৃষকেরা। ঝাকে ঝাকে কারেন্ট পোকা ধানের গোড়ায় আক্রমণ করছে পরে ধান গাছ শুকিয়ে মরে যাচ্ছে শীষ হচ্ছে দানাশূন্য। গাঙ্গুরিয়া ইউনিয়ন মিছিরা মৌজার কৃষক দেলোয়ার হোসেনকে কারেন্ট পোকা দমনে ২০ স্প্রে করতে দেখা যায়।
তিনি বলেন, আমি ৪ বিঘা আমন ধান রোপন করেছি, রোপিত কামলা, রাসায়নিক সার, কীটনাশক, পানি সেচ ও মাড়াই সহ বিঘা প্রতি সর্বমোট ১০-১২ টাকা খরচ। পক্ষান্তরে, বিঘা প্রতি ১৮ থেকে ২০ মণ ধান পাব। কারেন্ট পোকার উপদ্রব যেন এক মুঠো ধান ঘরে তুলতে পারব না। বিভিন্ন দোকানে বাকিতে রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ক্রয় করেছি। ফসল যদি ঘরে তুলতে না পারি তাহলে এই বাকি পরিশোধ করবো কি দিয়ে।
চাচাইবাড়ী গ্রামের কৃষক রফিকুল ইসলাম বলেন, কারেন্ট প্রকার উপদ্রপে যেন এক কেজি ধানও ঘরে তুলতে পারবো না। কীটনাশক প্রয়োগ করেও যেন এ পোকা দমন হচ্ছে না। আমদা গ্রামের জোরদার আতাউর রহমান বলেন, আমার কয়েকজন বর্গাদার জানান, কারেন্ট পোকা এতটাই ছড়িয়ে পড়েছে যে কীটনাশক প্রয়োগ করেও তাড়ানো যাচ্ছে না।
এ ব্যাপারে মুঠোফোনে জানতে চাইলে ইউনিয়ন কৃষি উপসহকারী কর্মকর্তা বলেন, গত সপ্তাহে গাংগুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে কৃষকদের নিয়ে কারেন্ট পোকা কিভাবে দূর করতে হবে এ ব্যাপারে সভা করেছিলাম। কারেন্ট পোকা সাধারণত ধান গাছের গোড়ায় থাকে ধানের গোড়া ফাঁকা করে সকল বা বিকালে কীটনাশক স্প্রে করতে হবে যাতে সূর্যের আলো পড়তে পারে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মামুনুর রশিদের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমন ধান রোপণ করার সময় দূরত্ব বজায় রেখে রোপণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল, সকাল অথবা বিকালে গাছের গোড়া ফাঁকা করে কীটনাশক স্প্রে করতে হবে তাহলে এ কারেন্ট পোকা থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে দেখা গেছে কৃষকেরা শুধুমাত্র ধানের উপরে কীটনাশক স্প্রে করছে কিন্তু পোকা থাকছে ধানের গোড়ায়।
জেএইচআর