মেহেরপুর জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি গোলাম রসুল ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৬ বছর।
মঙ্গলবার দুপুর ৩টার দিকে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তার বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনসহ একাধিক মামলা দায়েরের পর তিনি আত্মগোপন করেন। প্রায় দুই সপ্তাহ পূর্বে গোলাম রসুল অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার তার একটি অপারেশন হওয়ার কথা ছিল, তার পূর্বেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তিনি স্ত্রী, এক পুত্র, এক কন্যাসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
কর্মীবান্ধব এই মানুষটি ছিলেন মেহেরপুরের আওয়ামী রাজনীতির এক সফল ও জনপ্রিয় নেতৃত্ব। রাজনীতির পাশাপাশি তিনি ছিলেন একজন ব্যবসায় সফল উদ্যোক্তা। হোটেল বাজার থেকেই শুরু হয়েছিল তার ব্যবসায়িক জীবন, এবং সেই হোটেল বাজারের গদি ঘর থেকেই সূচনা হয়েছিল তার রাজনৈতিক যাত্রা।
রাজনীতির মাঠে তিনি যেমন ছিলেন অকুতোভয়, তেমনি ছিলেন সংগঠননির্ভর ও কর্মীবান্ধব।
রাজনীতির বাইরেও তার ছিল বহুমাত্রিক সম্পৃক্ততা। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মেহেরপুর বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক, মেহেরপুর জেলা হজ সমিতির সভাপতি, মেহেরপুর চেম্বার অব কমার্সের অন্যতম দায়িত্বশীল সদস্য এবং বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির মেহেরপুর ইউনিটের দায়িত্বে ছিলেন। পাশাপাশি বিভিন্ন মসজিদের সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। মেহেরপুরে আওয়ামী লীগের সোনালী অধ্যায়ে তার নাম জড়িয়ে আছে।
বাদ আসর হোটেল বাজার জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে জানাজা শেষে পৌর কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হবে বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে।
ইএইচ