নেত্রকোণার পূর্বধলা উপজেলার ধলামূলগাঁও ইউনিয়নের চানপুর চাদ পুকুরিয়া গ্রামের মো. ইদ্রিস আলীর পুত্র আনারুল ইসলাম (২৮) পার্শ্ববর্তী সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা উপজেলায় শ্বশুড় বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে গত এক মাস যাবৎ নিখোঁজ রয়েছেন।
নিখোঁজ আনারুল ইসলামের খোঁজ ও ফিরে পাবার দাবীতে তার মা মাজেদা আক্তার ও ছোট ভাই মো. নাজমুল ইসলাম শুক্রবার বেলা ১১টায় নেত্রকোণা জেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
নিখোঁজ আনারুলের সন্ধান ও উদ্ধার করে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেয়ার জন্য ধর্মপাশা থানায় জিডি করা হয়েছে বলেও সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের কাছে উল্লেখ করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে মা মাজেদা আক্তার ও ছোট ভাই নাজমুল বলেন, গত ২২ অক্টোবর আনারুল ইসলাম তার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা উপজেলার রাজধরপুর গ্রামে শ্বশুড় বাড়িতে বেড়াতে যান। এর চার দিন পর ২৬ অক্টোবর আনারুল ইসলামের স্ত্রী তাসলিমা তার শাশুড়িকে ফোনে জানান, আপনার ছেলে পাগল হয়ে গেছে। তাই আনারুলকে বিকালের ট্রেনে করে বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়া হচ্ছে। কিন্তু মায়ের অভিযোগ, গত এক মাসেও আনারুল নিজ বাড়িতে ফিরে আসেননি।
এ ব্যাপারে আনারুলের শ্বশুড় বাড়িতে যোগাযোগ করা হলে তার স্ত্রী তাসলিমা জানান, তাকে নেত্রকোণা রেল স্টেশনে পৌঁছে দিয়ে সে নিজ বাড়িতে চলে গেছে। কিন্তু আনারুল নিজ বাড়িতে ফিরে না আসায় এবং তার কোনো খোঁজ খবর না পাওয়ায় তার ছোট ভাই নাজমুল ইসলাম গত ২৯ অক্টোবর ধর্মপাশা থানায় তার ভাইয়ের খোঁজ ও নিরাপত্তার জন্য জিডি বা সাধারণ ডায়েরি করেন। তবে জিডি করার এক মাস পেরিয়ে গেলেও তার ভাইয়ের কোনো খোঁজ-খবর তারা অদ্যাবধি পাননি।
সংবাদ সম্মেলনে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, পারিবারিক কলহের জের ধরে স্ত্রী তাসলিমা ও তার পরিবার আনারুলকে হত্যা করে লাশ গুম করে ফেলেছে।
মা মাজেদা আক্তার ও ছোট ভাই নাজমুল অবিলম্বে নিখোঁজ আনারুলের সন্ধান ও তাকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেয়ার জন্য পুলিশের উর্ধতন কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি সাংবাদিকদের সর্বাত্মক সহায়তা কামনা করেন।
ইএইচ