ফেনী রিপোর্টার্স ইউনিটির ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদযাপন করা হয়েছে। রোববার সকাল ১১টার দিকে ইউনিটি প্রাঙ্গণে বেলুন উড়িয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্বোধন করা হয়েছে। পরে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়ে রাজাঝির দীঘির পাড় প্রদক্ষিণ শেষে আলোচনা সভায় মিলিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক জয়নাল আবেদীন ভিপি।
ইউনিটির সভাপতি ও দৈনিক ফেনীর সময় সম্পাদক মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেনের সভাপতিত্বে এবং যুগ্ম সম্পাদক নুর উল্যাহ কায়সারের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) ফাতিমা সুলতানা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মো. সাইফুল ইসলাম ও জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য অধ্যাপক লিয়াকত আলী ভূঁইয়া।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলম। শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন ইউনিটির সাহিত্য সম্পাদক ও দৈনিক আমার সংবাদ প্রতিনিধি মুহাম্মদ মিজানুর রহমান।
বক্তব্য রাখেন- জেলা জামায়াতের আমীর ও কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য মুফতি মাওলানা আব্দুল হান্নান, জেলা তথ্য কর্মকর্তা এসএম আল আমিন, এনসিপির জেলা আহবায়ক জাহিদুল ইসলাম সৈকত, এবি পার্টির কেন্দ্রীয় সদস্য শাহ আলম বাদল, জেলা জামায়াতের প্রচার সম্পাদক আ.ন.ম আব্দুর রহিম, ডেইলি স্টার প্রতিনিধি আবু তাহের, ফেনী প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি একেএম আব্দুর রহিম, সদর উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ফজলুর রহমান বকুল, পৌর সদস্য সচিব এডভোকেট মেজবাহ উদ্দিন ভূঁইয়া, ফেনী রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সভাপতি যতন মজুমদার ও আরিফুল আমিন রিজভী, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক জসিম মাহমুদ এবং সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সিদ্দিক আল মামুন।
উপজেলার সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন- পরশুরামের এমএ হাসান, দাগনভূঞার আব্দুল্লাহ আল মামুন, সোনাগাজীর সাইফুল আলম হিরন ও ফুলগাজীর মুহাম্মদ মোরশেদ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক জয়নাল আবদিন ভিপি বলেন, সঠিক সাংবাদিকতা একটা দেশকে ভালো পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারে। আমি আশা করি রিপোর্টার্স ইউনিটির সাংবাদিকরা সে নীতিকে অবলম্বন করে এ দেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়নের জন্য তারা তাদের দায়িত্ব পালন করবে।
তিনি আরো বলেন, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার অনেক মানুষের জীবনের বিনিময়ে গঠিত হয়েছে। এ সরকার ওয়াদা করেছেন ফেব্রæয়ারীর মধ্যে নির্বাচন দিয়ে একটি গণতান্ত্রিক সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করবে। সামনে নির্বাচনে যে যাকে পছন্দ করে, যাকে আদর্শবান মনে করে, যাকে ইচ্ছে হবে তাকে ভোট দিবে। জোর-জবরদস্তি করে ভোটের দিন শেষ। সেটা আর আসতে দেওয়া হবে না। জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ( শিক্ষা ও আইসিটি) ফাতিমা সুলতানা বলেন, সাংবাদিকদের সত্যতা যাচাই করে তথ্য উপাত্ত নিজেদের পেশাদারিত্ব বজায় রেখে কাজ করা। ইউলো সাংবাদিকতা পরিহার করে আমাদের দেশকে একটি বিশ্বের কাছে প্রতিনিধিত্ব দেশ হিসেবে তুলে ধরতে হবে। সংবাদপত্রকে আমাদের পজিটিভ হিসেবে ব্যবহার করতে হবে। শেষে কেক কেটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়।
জেএইচআর