রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসকদের ওপর রোগীর স্বজনদের হামলার প্রতিবাদে কর্মবিরতি (ধর্মঘট) শুরু করেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। এ ঘটনায় পুলিশ ১ জনকে গ্রেপ্তার করলেও ধর্মঘট অব্যাহত রয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ওই রোগীর স্বজন হামলাকারী লালমনিরহাট জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার চাপারহাট এলাকার হাফেজ আশরাফুল ইসলামের ছেলে হোসাইন (২০) কে পুলিশ আটক করে।
বুধবার সকাল থেকে কাজে যোগ না দিয়ে ধর্মঘট শুরু করে ইর্ন্টান চিকিৎসকরা তা বৃহস্পতিবার পর্যন্ত চলমান রয়েছে।
আন্দোলনকারীরা বলেন, দোষীদের ১ জনকে গ্রেপ্তার করা হলেও চিকিৎসকদের নিরাপত্তার বিষয়টি এখনও নিশ্চিত না হওয়ায় তারা ধর্মঘট চালিয়ে যাবেন।
রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন ডক্টরস সোসাইটির সভাপতি ডা. সাদমান মীর মিরাজ বলেন, মঙ্গলবার রাতে অপারেশন থিয়েটারে সার্জারিরত অবস্থায় মিড লেভেল চিকিৎসক, রেসিডেন্ট চিকিৎসক ও ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর অন্যায়ভাবে রোগীর লোকজন হামলা চালিয়েছে। এসময় হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারের কার্যক্রম বিঘ্নিত হয়। ফলে চিকিৎসকরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
তিনি আরও বলেন, হামলাকারীদের উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা ও হাসপাতালে নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি চলবে। তবে জরুরি রোগীদের সেবা প্রদান করা হবে।
এ বিষয়ে রংপুর রমেক হাসপাতালে পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আশিকুর রহমান বলেন, হামলাকারী স্বেচ্ছায় এসে ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চায়। পরে তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়া হয়। পুলিশ তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে।
আরও বলেন, আন্দোলনকারীদের সাথে কথা হয়েছে তারা জরুরি রোগীদের চিকিৎসা সেবা প্রদান করবে। সিসি ক্যামেরা শনিবার থেকে লাগানোর শুরু করলে তারা ধর্মঘট প্রত্যাহার করবে বলে ইর্ন্টান চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।
ইএইচ