গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলায় নূরুজ্জামান (৩৮) নামের এক যুবককে পিটিয়ে ও গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ।
ঘটনাটি ঘটে বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার মুলাইদ গ্রামের তৌফিক সিএনজি পাম্পের পেছনে মোফাজ্জলের বাড়িতে। নিহত নূরুজ্জামান ময়মনসিংহের ফুলপুর থানার সাইল্লা বউলা গ্রামের মো. মোতালেবের ছেলে। তিনি পেশায় একজন গাড়িচালক ছিলেন।
নিহতের ছোট ভাই খোকন জানান, তিনি গাজীপুর চৌরাস্তায় বসবাস করেন। তার ভাই মুলাইদ এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে গাড়ি চালাতেন। বৃহস্পতিবার রাতে মোবাইল ফোনে তিনি ভাইয়ের মৃত্যুর খবর পান। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে জানতে পারেন, মোফাজ্জলের বাড়ির এক ভাড়াটিয়া নারীকে গোপনে ভিডিও ধারণের অভিযোগ তুলে বাড়ির ম্যানেজার নূরুজ্জামানকে একটি কক্ষে নিয়ে যান। একপর্যায়ে তাকে মারধর করা হয় এবং গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়।
ঘটনার পর স্থানীয়রা নূরুজ্জামানকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধার করে।
নিহতের পরিবার দাবি করেছে, ভিডিও ধারণের অভিযোগটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। পরিকল্পিতভাবে নূরুজ্জামানকে হত্যা করা হয়েছে বলে তাদের অভিযোগ। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে শ্রীপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আলমগীর হোসেন জানান, খবর পেয়ে রাত ৯টার দিকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নাসির আহমেদ বলেন, পরিবারের অভিযোগের প্রেক্ষিতে মামলা রেকর্ডের প্রক্রিয়া চলছে। একই সঙ্গে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ইএইচ