ময়মনসিংহের ভালুকায় নিজ বসতঘর থেকে রাহিমা (৩৫) নামের এক গৃহবধূর গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
রোববার ভোরে উপজেলার হবিরবাড়ি ইউনিয়নের গাংগাটিয়া মধ্যপাড়া এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। নিহত রাহিমা ওই এলাকার লেপ-তোষক ব্যবসায়ী বিল্লাল হোসেনের স্ত্রী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় রাহিমা তার স্বামীর কাছ থেকে টাকা নিয়ে বাজার করে বাড়িতে ফেরেন। রাত আটটার দিকে তিনি মেয়ে সুমাইয়া আক্তার (১৬) ও ছেলে রাহাতকে (৭) রাতের খাবার খাইয়ে পাশের কক্ষে শুইয়ে দেন। তার স্বামী প্রতিদিন রাতে দেরিতে বাড়ি ফেরেন বলে ঘরের দরজা বন্ধ না করেই তিনি নিজ কক্ষে ঘুমিয়ে পড়েন।
রাত ১০টার দিকে অজ্ঞাতপরিচয় দুর্বৃত্তরা ঘরে ঢুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে রাহিমার গলা কেটে হত্যা করে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, হত্যার পর লাশ গুম করার চেষ্টা করা হয়েছিল। এ সময় বারান্দায় থাকা একটি সেলাই মেশিনে ধাক্কা লেগে শব্দ হলে নিহতের মেয়ে বাইরে আসে। মাকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে সে চিৎকার শুরু করলে বিষয়টি জানাজানি হয়।
খবর পেয়ে ভালুকা মডেল থানা-পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। পরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গফরগাঁও সার্কেল) মনুতোষ বিশ্বাসসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
ভালুকা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, কারা বা কেন এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তা এখনো জানা যায়নি। তবে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটনে পুলিশ কাজ করছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ইএইচ