ঝিনাইদহ-৪ (কালীগঞ্জ ও সদরের আংশিক) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজের নির্বাচনী কার্যালয় ও সমর্থকদের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে দফায় দফায় হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
শনিবার সন্ধ্যায় সদর উপজেলার নলডাঙ্গা বাজারে এ হামলার ঘটনায় ৬ জন আহত হয়েছেন। তবে এসব ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ভুক্তভোগীরা।
আহত ব্যক্তিরা হলেন, ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মী ওয়াজ্জেদ হোসেন, তার ছেলে বাদশা ও আহাদ, ঘড়াশুনি গ্রামের শামীম এবং শ্রীমন্তপুর গ্রামের জনি। এ ছাড়া আরও একজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ৫ ফেব্রুয়ারি রাতে কালীগঞ্জ শহরের নিশ্চিন্তপুর এবং হেলাই গ্রামের দুটি নির্বাচনী কার্যালয়েও হামলা চালানো হয়। এ সময় চেয়ার-টেবিল ও তিনটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়।
৪ ফেব্রুয়ারি পুকুরিয়া গ্রামে ধানের শীষের প্রার্থীর সমর্থকদের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডার একপর্যায়ে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকের একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর চালানো হয়।
স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজ অভিযোগ করেন, ‘নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, আমার কর্মী-সমর্থকদের ওপর তত বেশি অবিচার করা হচ্ছে। প্রশাসন ব্যবস্থা না নিলে সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ বিঘ্নিত হবে। মনে হচ্ছে প্রশাসন একরকম পক্ষপাতিত্ব করছে।’
অভিযোগের বিষয়ে ধানের শীষের প্রার্থী রাশেদ খান বলেন, তাঁর কোনো নেতা-কর্মী এসব হামলার সঙ্গে জড়িত নন। স্বতন্ত্র প্রার্থীর লোকজনই নিজেদের কার্যালয় ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ভেঙে তাঁদের ওপর দোষ চাপাচ্ছেন।
কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জেল্লাল হোসেন বলেন, নলডাঙ্গার কার্যালয় ভাঙচুরের ঘটনায় পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ইএইচ