বগুড়ায় বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ

বগুড়া প্রতিনিধি প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬, ০৬:৫৪ পিএম

বগুড়া-৪ (নন্দীগ্রাম-কাহালু) আসনের নন্দীগ্রামে ভোটের টাকা বিতরণের অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াত ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। 

সোমবার মধ্যরাতে উপজেলার থালতা মাজগ্রাম ইউনিয়নের পারশুন গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

বিএনপি নেতাকর্মীদের দাবি, পারশুন গ্রামের একটি বাড়িতে জামায়াত ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতারা ভোটারদের মধ্যে টাকা বিলি করছিলেন। এ সময় হাতেনাতে দুজনকে আটক করে বুড়ইল ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাসুদ রানার বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়।

অভিযোগ উঠেছে, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও তাদের উপস্থিতিতেই জামায়াতের দুই শতাধিক কর্মী লাঠিসোঁটা নিয়ে মাসুদ রানার বাড়িতে হামলা চালায়। তারা মাসুদ রানা ও তাঁর ভাইকে বেধড়ক মারধর করে আটককৃতদের ছিনিয়ে নিয়ে যায়। হামলায় তিনটি বাড়ি ও একটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়।

গুরুতর আহত বিএনপি নেতা মাসুদ রানাকে বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মোস্তফা ফয়সাল পারভেজ। তাঁর দাবি, মিথ্যা অভিযোগে তাঁদের কর্মীদের আটকে রেখে নির্যাতন করা হয়েছে।

এ ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিএনপির প্রার্থী মোশারফ হোসেন। পুলিশের উপস্থিতিতে এই হামলা কীভাবে সম্ভব হলো, তা নিয়ে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন। নির্বাচনের ঠিক আগে এমন সংঘাত সাধারণ ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।

নন্দীগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে থাকলেও তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

জেএইচআর