ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্লাপুর-পলাশবাড়ী) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ১০ জন প্রার্থীর মধ্যে ৮ জনই জামানত হারিয়েছেন। নির্ধারিত পরিমাণ ভোট অর্জনে ব্যর্থ হওয়ায় নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুযায়ী তাঁদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
জামানত হারানো প্রার্থীরা হলেন লাঙ্গল প্রতীকের মইনুর রাব্বী চৌধুরী, ট্রাক প্রতীকের সুরুজ মিয়া, হাতপাখা প্রতীকের এটিএম আওলাদ হোসাইন, কাস্তে প্রতীকের আব্দুল্লাহ আদিল, আপেল প্রতীকের মোছাদ্দিকুল ইসলাম, কলম প্রতীকের মনজুরুল হক, ঘোড়া প্রতীকের এস এম খাদেমুল ইসলাম খুদি এবং ঢেঁকি প্রতীকের আজিজার রহমান।
এ বিষয়ে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম জানান, নির্বাচন বিধি অনুযায়ী মোট বৈধ ভোটের সাড়ে ১২ শতাংশের কম ভোট পেলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। সেই নিয়ম অনুযায়ী এ আসনের ৮ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, আসনে কয়েকজন প্রার্থীর তেমন জনপ্রিয়তা না থাকায় তাঁরা উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ভোট পেতে ব্যর্থ হয়েছেন। ফলে নির্ধারিত ভোটসংখ্যা অর্জন করতে না পারায় তাঁদের জামানত হারাতে হয়েছে।
উল্লেখ্য, গাইবান্ধা-৩ আসনটি বরাবরই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হিসেবে পরিচিত। এবারের নির্বাচনে একাধিক প্রার্থী অংশ নিলেও শেষ পর্যন্ত অধিকাংশ প্রার্থীই ন্যূনতম ভোটসংখ্যা অর্জনে ব্যর্থ হন। এই আসনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অংশগ্রহণ করেন ১০ জন প্রার্থী। বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী আবুল কাওছার মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম লেবু বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ৬২ হাজার ৪৫৭টি। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক ডা. ময়নুল হাসান সাদিক, যাঁর প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ৩৯ হাজার ৮৬৪টি।
জেএইচআর