চরফ্যাশন ভারপ্রাপ্ত ইউএনও’র বিরুদ্ধে অপপ্রচার

ভোলা প্রতিনিধি প্রকাশিত: মার্চ ১৩, ২০২৬, ০৫:৪২ পিএম

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার বর্তমান ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) এমাদুল হোসেনের বিরুদ্ধে একটি কুচক্রী মহল কর্তৃক মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর অপপ্রচারের অভিযোগ উঠেছে। একজন সৎ ও দক্ষ কর্মকর্তাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার এই হীন প্রচেষ্টায় স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও সচেতন মহলের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

এমাদুল হোসেন গত প্রায় এক বছর ধরে চরফ্যাশনে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর সততা, দক্ষতা ও বিচক্ষণতা ইতিমধ্যে সাধারণ মানুষের প্রশংসা কুড়িয়েছে। গত এক সপ্তাহ ধরে উপজেলায় স্থায়ী ইউএনও এবং পৌর প্রশাসক না থাকায় তিনি ভারপ্রাপ্ত ইউএনও হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দেশের প্রায় ১৮টি জেলার চেয়েও আয়তনে বড় এই উপজেলার প্রায় ৬ লাখ মানুষের সেবা নিশ্চিতে তিনি দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন। তবে সম্প্রতি একটি ফেক (ভুয়া) ফেসবুক আইডি থেকে তাঁর বিরুদ্ধে মনগড়া ও ভিত্তিহীন তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। স্থানীয়দের দাবি, কিছু অসাধু ব্যক্তি অনৈতিক ও অবৈধ সুবিধার দাবি নিয়ে তাঁর কাছে এসে ব্যর্থ হয়ে পরিকল্পিতভাবে এই অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে।

এই অপপ্রচারের প্রতিবাদে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরব হয়েছেন শত শত মানুষ। সাংবাদিক শাহাবুদ্দিন হাওলাদার বলেন, “অবৈধ কাজ না করলেই ফেক আইডি দিয়ে কর্মকর্তাদের নিয়ে মিথ্যাচার শুরু হয়ে যায়। এটি নতুন কিছু নয়। দুষ্কৃতিকারীরা কোনো ভালো কর্মকর্তাকে চরফ্যাশনে শান্তিতে থাকতে দিতে চায় না।” 

সাংবাদিক নাসিউর রহমান শিপু ফরাজী এবং লোকমান হোসেনও এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন। লোকমান হোসেন লিখেছেন, “বেনামি আইডি দিয়ে অপপ্রচার করা কাপুরুষের কাজ। অনিয়মের প্রমাণ থাকলে প্রকাশ করুন, সেটি সংবাদ হবে; কিন্তু মিথ্যাচার গ্রহণযোগ্য নয়।”

সচেতন মহলের ধারণা, প্রশাসনের কাজে বাধা সৃষ্টি এবং ব্যক্তিগত আক্রোশ মেটাতেই একটি চক্র ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করে এই ষড়যন্ত্র করছে। তারা দ্রুত এই অপপ্রচারকারীদের চিহ্নিত করে সাইবার নিরাপত্তা আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

জেএইচআর