এমপি জাহান্দার আলী

মিউটেশনে আমার কাছ থেকেও ২৫ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়া হয়েছে

মহসিন তালুকদার, মাদারীপুর প্রকাশিত: মার্চ ২৭, ২০২৬, ০৮:০০ পিএম

মাদারীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সদস্য সচিব জাহান্দার আলী মিয়া অভিযোগ করেছেন, জমির নামজারি (মিউটেশন) করতে একসময় তাঁর কাছ থেকেও ২৫ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়া হয়েছিল।

শুক্রবার সকালে মাদারীপুর সদর উপজেলার পেয়ারপুর ইউনিয়নে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই তথ্য জানান।

এমপি জাহান্দার আলী কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এখন থেকে তিন দিনের মধ্যে মিউটেশন সম্পন্ন করতে হবে এমন নির্দেশনা ভূমি অফিসের কর্মকর্তাদের দেওয়া হয়েছে। যদি কেউ অর্থের বিনিময়ে নামজারি বা অন্য কোনো কাজ করে, তবে তার ঠিকানা হবে জেলখানা, না হয় পানির নিচে।

সাবেক সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, বিগত দিনে জনগণের ভোটের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে, যার প্রমাণ রাস্তাঘাট ও খালের অনুন্নয়ন। শেখ হাসিনা সরকারের মতো বিএনপির কোনো নেতাকর্মী যেন স্বৈরাচার না হয়, সেদিকে সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান তিনি। তিনি স্পষ্ট করেন, দলের নাম ভাঙিয়ে কেউ চাঁদাবাজি বা টেন্ডারবাজি করলে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কিশোর গ্যাং ও ভূমিদস্যুতার বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা করে তিনি বলেন, মাদারীপুরে কোনো কিশোর গ্যাং লালন-পালন করা যাবে না এবং মানুষের জমি দখলকারীদের এই জেলায় কোনো জায়গা হবে না। কৃষি ও পরিবেশ রক্ষায় বিএনপি সরকারের দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচির গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি পর্যাপ্ত সেচ সুবিধা নিশ্চিত করতে নদী ও খাল সচল রাখার ওপর জোর দেন।

পেয়ারপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শওকত ওসমানের সভাপতিত্বে ও নুরুজ্জামান হাওলাদারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুর আদালতের জিপি অ্যাডভোকেট গুলজার আহম্মেদ চিশতী এবং আড়িয়াল খাঁ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সোহেল আহমেদ বাদলসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

জেএইচআর