ঈদ শেষে নির্বিঘ্নে কর্মস্থলে ফিরছে কর্মজীবী মানুষ, পারাপারে নেই ভোগান্তি

সাজ্জাদ হোসেন, গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রকাশিত: মার্চ ২৮, ২০২৬, ০৩:৫৭ পিএম

ঈদুল ফিতরের ছুটি কাটিয়ে দক্ষিণবঙ্গের ২১ জেলার প্রবেশদ্বার দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুট দিয়ে কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছেন সাধারণ মানুষ। 

শনিবার সকাল থেকেই রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া লঞ্চ ও ফেরিঘাট প্রান্তে ঢাকামুখী যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

শনিবার দুপুরে দৌলতদিয়া লঞ্চঘাটের টিকিট কাউন্টারগুলোতে যাত্রীদের দীর্ঘ সারি দেখা গেলেও যাতায়াতে বড় ধরনের কোনো ভোগান্তির খবর পাওয়া যায়নি। কুষ্টিয়া ও কুমারখালী থেকে আসা পোশাকশ্রমিক ও সাধারণ যাত্রীরা জানান, অন্য বছরের তুলনায় এবার রাস্তা ও ঘাটে ভোগান্তি অনেক কম। রবিবার থেকে অফিস শুরু হওয়ায় একদিন আগেই তারা গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন।

বিআইডব্লিউটিসি ও লঞ্চঘাট কর্তৃপক্ষ জানায়, যাত্রী ও যানবাহন পারাপার নির্বিঘ্ন করতে এই নৌরুটে বর্তমানে ১২টি ফেরি এবং ১৮টি লঞ্চ চলাচল করছে। লঞ্চগুলোতে নির্ধারিত সংখ্যার অতিরিক্ত যাত্রী বহন করা হচ্ছে না এবং ভাড়ার ক্ষেত্রেও কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।

গত ২৫ মার্চ বিকেলে দৌলতদিয়ার ৩ নম্বর ফেরিঘাটে একটি বাস ডুবে যাওয়ার পর থেকে ওই ঘাটটি বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। এই ঘাট সংকটের কারণে দৌলতদিয়া প্রান্তে কিছু পণ্যবাহী ও যাত্রীবাহী যানবাহনের সিরিয়াল তৈরি হয়েছে। তবে বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন জানান, ঘাট আসা মাত্রই যানবাহনগুলো পর্যায়ক্রমে ফেরিতে উঠতে পারছে, ফলে যাত্রীদের দীর্ঘসময় অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে না।

দৌলতদিয়া লঞ্চঘাটের ম্যানেজার নুরুল আনোয়ার মিলন বলেন, যাত্রীদের যাত্রা নিরাপদ ও আরামদায়ক করতে আমরা সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছি। ১৮টি লঞ্চ বিরতিহীনভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

জেএইচআর