ভালুকায় ডিজেল পর্যাপ্ত, পেট্রোল ও অকটেনের চরম সংকট

আবুল বাশার শেখ, ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রকাশিত: মার্চ ২৯, ২০২৬, ০৬:১৪ পিএম

ভালুকায় ডিজেল পর্যাপ্ত থাকলেও পেট্রোল ও অকটেনের সংকট চরম আকার ধারণ করেছে। স্থানীয় ফিলিং স্টেশনগুলোতে মাঝে মধ্যে একশ থেকে দুইশ টাকার পেট্রোল বা অকটেন পাওয়া যায়। তবে চুরাইভাবে তিনশ টাকা লিটারে পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি হচ্ছে।

শনিবার বিকালে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে ৬টি ফিলিং স্টেশনে তেলের ট্যাংকারের মধ্যে তেল আছে কি না তা তল্লাশি করেন ভ্রাম্যমাণ ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার ভূমি ইকবাল হোসাইন। এ সময় দুইটি ফিলিং স্টেশনের ট্যাংকারে পেট্রোল ও অকটেন পাওয়া যায়। অন্যগুলোতে শুধু ডিজেল পাওয়া গেছে।

একজন বাইক চালক অভিযোগ করেন, অধিকাংশ ফিলিং স্টেশনে পেট্রোল নেই। মাঝে মধ্যে ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে এক থেকে দুইশ টাকার পেট্রোল পাওয়া যায়। আবার উপজেলার বিভিন্ন স্থানে চুরাইপথে তিনশ টাকা লিটারে ফুল ট্যাংকি পেট্রোল বা অকটেন বিক্রি হচ্ছে। তিনি প্রশ্ন করেন, যারা চুরাইভাবে পেট্রোল বিক্রি করছে, তারা পেট্রোল কোথা থেকে সংগ্রহ করছে?

ভালুকার এআর ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার সুজিৎ কুমার কপালী লিটন জানান, শুধু ডিজেল আসে বিদেশ থেকে, আর পেট্রোল ও অকটেন দেশে উৎপাদিত হয়। তবে চাহিদা অনুযায়ী ডিপো থেকে পর্যাপ্ত পেট্রোল ও অকটেন দেওয়া হচ্ছে না। তিনি বলেন, “৪ মার্চ আমার ফিলিং স্টেশনে ডিপো থেকে অকটেন পাওয়া গেছে, আর কয়েকবার পেট্রোল পাওয়া গেছে। অগ্রিম টাকা দিয়েও ডিপো থেকে পেট্রোল ও অকটেন আনতে পারছি না। প্রতিদিন তিন হাজার পাঁচশত লিটার পেট্রোল ও দুই হাজার পাঁচশত লিটার অকটেনের চাহিদা রয়েছে। আমার ফিলিং স্টেশনে ডিজেলের কোনো সংকট নেই।”

ভালুকা উপজেলার সহকারী কমিশনার ভূমি ইকবাল হোসাইন জানান, মহাসড়কের ৬টি ফিলিং স্টেশনে তল্লাশি করা হয়েছে। দুইটিতে পেট্রোল ও অকটেন পাওয়া গেছে। ফিলিং স্টেশনগুলোতে ডিজেল রয়েছে, কোনো সংকট নেই। পেট্রোলের সংকট কাটানোর জন্য এখন থেকে প্রতিনিয়ত মনিটরিং করা হবে, যাতে কোনো অনিয়ম না হয়।

এএন