যশোরে উদ্ধার হওয়া একটি প্রাইভেটকারকে কেন্দ্র করে ছিনতাই, সোনা পাচার এবং মালিকানা নিয়ে ত্রিমুখী রহস্য সৃষ্টি হয়েছে। গাড়িটির মালিক দাবিদার মাগুরার শালিখার হিরা খাতুন জানান, তাঁর স্বামী আলী আহমেদ (আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কথিত সোর্স) গত ৫ জানুয়ারি মারা যাওয়ার পর থেকেই ‘গোল্ড শহিদ’ নামে এক ব্যক্তি সোনা আত্মসাতের অভিযোগে তাঁদের হুমকি দিয়ে আসছিলেন।
অভিযোগ রয়েছে, গত ৮ জানুয়ারি হিরা খাতুনের ছেলে ফাইমুর রহমানকে জিম্মি করে স্ট্যাম্পে সই নিয়ে গাড়ি ও আইফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়। পরে পুলিশি তৎপরতায় গাড়িটি মাগুরা জেলা যুবদলের সভাপতি কল্লোলের কাছ থেকে উদ্ধার করে যশোর কোতোয়ালি থানায় আনা হয়।
পুলিশের একটি সূত্র জানায়, আলী আহমেদের বিরুদ্ধে সীমান্তপথে সোনা পাচারের সংশ্লিষ্টতা ছিল এবং ওই গাড়িটি পাচারকাজে ব্যবহৃত হতো বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাঁর মৃত্যুর পর আত্মসাৎকৃত সোনা উদ্ধারে চক্রটি সক্রিয় হয়ে গাড়িটি ছিনতাই করে থাকতে পারে।
যশোর কোতোয়ালি থানার ওসি মাসুম খান জানান, দুই পক্ষের মধ্যে অর্থনৈতিক লেনদেন নিয়ে বিরোধের জেরে গাড়িটি এক পক্ষ নিজেদের হেফাজতে নিয়েছিল। অভিযোগের ভিত্তিতে গাড়িটি বর্তমানে পুলিশি জিম্মায় আছে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করে প্রকৃত মালিকের কাছে তা হস্তান্তর করা হবে। পুরো বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করছে পুলিশ।
জেএইচআর