রংপুরে মোটরসাইকেল আটকে অভিনব কায়দায় চাঁদা দাবির অভিযোগে ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে মেট্রোপলিটন পুলিশ।
শুক্রবার নগরীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে রংপুর মেট্রো কোতোয়ালি থানা পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- রংপুর নগরীর মূলাটোল বড়পুকুরপাড় এলাকার রায়হান, মুন্সিপাড়ার ইরফান হোসেন ওরফে বান্টা (৩২), মাহীগঞ্জের সামাউন হোসেন (৩০) এবং নীলফামারীর কিশোরগঞ্জের হযরত আলী (৩৫)। এছাড়া এ ঘটনায় মেহেদী হাসান, সাঈদ হোসেন ও ওমর ফারুকের নামে মামলা করা হয়েছে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্তরা একটি প্রতারক চক্রের সদস্য। তারা বিভিন্ন ব্যক্তিকে কৌশলে প্রলুব্ধ করে ও ভয়ভীতি দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নেয়। মামলার বাদী রবিউল ইসলামের ছেলে হাফিজুল ইসলামের সঙ্গে আগে থেকেই পরিচিত ছিল চক্রটি। গত ২০ মার্চ ঈদের আগের দিন হাফিজুলকে রংপুরে বেড়াতে ডেকে এনে কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের ফ্লাইওভারের নিচে তার মোটরসাইকেল, মোবাইল ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়।
পরে মোটরসাইকেল ফিরিয়ে দেওয়ার কথা বলে বিকাশের মাধ্যমে আরও অর্থ আদায় করা হয়। মোটরসাইকেল ফেরত না দিয়ে টালবাহানা করায় ৩ এপ্রিল ৭ জনকে আসামি করে মামলা করেন ভুক্তভোগীর পিতা।
রংপুর মেট্রো কোতোয়ালি থানার ওসি আজাদ রহমান বলেন, আসামিরা একটি পেশাদার প্রতারক চক্রের সদস্য। অভিযোগ পাওয়ার পরপরই আমরা ছিনতাই হওয়া মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করি এবং এজাহারভুক্ত ৪ আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হই। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের চাঁদাবাজি মামলায় জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
জেএইচআর