টাঙ্গাইলের নাগরপুরে বাণিজ্যিকভাবে হাঁস পালন করে স্বাবলম্বী হয়েছেন স্থানীয় উদ্যোক্তা মো. ফজলুর রহমান ফজলু। উপজেলার দক্ষিণ দুয়াজানি গ্রামে অবস্থিত তার এই খামারটি এখন এলাকায় বেশ পরিচিতি পেয়েছে। বর্তমানে তার খামারে খাকি ক্যাম্বেল, জিনডিং ও বেইজিং ও ইন্ডিয়ান রানারসহ ১২টি উন্নত জাতের কয়েক হাজার হাঁস রয়েছে।
উদ্যোক্তা ফজলুর রহমান জানান, প্রায় ১৪০ শতাংশ জমিতে মাছ চাষের পাশাপাশি তিনি এই হাঁসের খামার গড়ে তুলেছেন। এতে তাঁর বিনিয়োগ ছিল ১০-১২ লাখ টাকা। বর্তমানে খামার থেকে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ ডিম উৎপাদিত হচ্ছে, যা দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হয়। খাবারের দাম বৃদ্ধি ও রোগবালাইয়ের চ্যালেঞ্জ থাকলেও সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে তিনি লাভজনক পর্যায়ে রয়েছেন।
খামারটি আরও আধুনিকায়ন ও বড় পরিসরে রূপ দিতে তিনি সরকারের পাশাপাশি টাঙ্গাইল-৬ আসনের সংসদ সদস্য রবিউল আউয়াল লাভলুর সহযোগিতা কামনা করেছেন। ভবিষ্যতে এই খামারের মাধ্যমে নতুন উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে তাঁর।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডা. আ. মমিন জানান, নাগরপুরে হাঁস পালন একটি অত্যন্ত সম্ভাবনাময় খাত। খামারিদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও কারিগরি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। ফজলুর রহমানের এই উদ্যোগ গ্রামীণ অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
স্থানীয়রা জানান, এই খামার দেখে এলাকার অনেক বেকার যুবক এখন বাণিজ্যিকভাবে হাঁস পালনে আগ্রহী হয়ে উঠছেন। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এ ধরনের উদ্যোগ কৃষি খাতে বড় অবদান রাখতে সক্ষম হবে।
জেএইচআর