ফরিদপুর জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আউয়াল খান লালন সক্রিয় রাজনীতি থেকে ইস্তফা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
শুক্রবার দুপুরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক ব্যক্তিগত পোস্টের মাধ্যমে তিনি এই সিদ্ধান্তের কথা জানান।
ফেসবুক পোস্টে আউয়াল খান উল্লেখ করেন, এখন থেকে তাঁর কোনো রাজনৈতিক পরিচয় নেই এবং কোনো দলের সাথে তিনি যুক্ত থাকতে চান না। তিনি আরও জানান, এখন থেকে তিনি সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে এবং নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী এলাকাবাসীর সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখবেন। সুশীল সমাজের প্রতি কিছুটা ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গকে তাঁকে কোনো প্রয়োজনে স্মরণ না করার অনুরোধ জানিয়েছেন।
রাজনীতি ছাড়ার কারণ প্রসঙ্গে আউয়াল খান বলেন, ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রামে তিনি সম্পৃক্ত ছিলেন। আন্দোলন করতে গিয়ে নির্যাতন সয়েছেন এবং কারাবরণও করেছেন। কিন্তু আদর্শের প্রশ্নে তিনি কখনও অনৈতিক কর্মকাণ্ড বা কোনো বিশেষ পক্ষের সাথে আঁতাত করেননি।
তিনি অভিযোগ করেন, দলের সুসময়েও তিনি কোনো মূল্যায়ন পাননি, উল্টো টেন্ডার প্রক্রিয়ায় আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। মূলত দলের অভ্যন্তরে অবমূল্যায়ন ও গভীর অভিমান থেকেই তিনি সরে দাঁড়ানোর এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
এ বিষয়ে ফরিদপুর জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক তানজিমুল হাসান কায়েস জানান, আউয়াল খান লালন জেলা কমিটির গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছেন। তবে তাঁর ফেসবুক পোস্ট বা পদত্যাগের বিষয়ে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য পাওয়া যায়নি।
তিনি লিখিত পদত্যাগপত্র জমা দিলে সাংগঠনিক নিয়মে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দীর্ঘদিনের ত্যাগী নেতাকর্মীদের এমন অভিমানী প্রস্থান তৃণমূল রাজনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে।
জেএইচআর