মাটিরাঙ্গায় ৪ শতাধিক কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ

জসীম উদ্দিন জয়নাল, পার্বত্যাঞ্চল প্রকাশিত: এপ্রিল ১৯, ২০২৬, ০৭:২৯ পিএম

২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে খরিপ-১ মৌসুমে আউশ ধান ফসলের আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা উপজেলায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে উচ্চ ফলনশীল আউশ ধানের বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে।

রোববার সকাল ১০টার দিকে মাটিরাঙ্গা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে উপজেলা কৃষি অফিস প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্থানীয় কৃষকদের হাতে বিনামূল্যে উচ্চ ফলনশীল আউশ ধানের বীজ ও সার বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে মাটিরাঙ্গা উপজেলা কৃষি অফিসার শাহাবুদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদুর রহমান।

মাটিরাঙ্গা উপজেলা কৃষি অফিসের উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ অফিসার ইউনুছ নুরের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার সেলিম রানা, মাটিরাঙ্গা প্রেস ক্লাবের সভাপতি মো. জসীম উদ্দিন জয়নাল, উপজেলা সহকারী কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. আব্দুর রহিম মজুমদার প্রমুখ।

অন্যান্যের মধ্যে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. আমজাদ হোসেন, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা রুপন দে, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা নুর মোহাম্মদসহ উপকারভোগী কৃষকরা উপস্থিত ছিলেন।

মাটিরাঙ্গা উপজেলা কৃষি অফিসার শাহাবুদ্দিন আহমেদ বলেন, উপজেলার প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষকদের তালিকা অনুযায়ী স্বচ্ছতার সঙ্গে এই বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে। সঠিক সময়ে চারা রোপণ ও কৃষি অফিসের পরামর্শ অনুযায়ী পরিচর্যা করলে এবার আউশ ধানের বাম্পার ফলন পাওয়া সম্ভব। কৃষকদের আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার ও ধান চাষের নিয়মকানুন সম্পর্কে দিকনির্দেশনা প্রদান করে তিনি আরও বলেন, চলতি মৌসুমে আউশ আবাদের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের নির্বাচিত ৪ শতাধিক কৃষকের মাঝে এই সহায়তা প্রদান করা হয়। বিতরণকৃত উপকরণের মধ্যে রয়েছে উন্নত জাতের ব্রি ধান-৯৮-এর বীজ ৫ কেজি এবং প্রয়োজনীয় রাসায়নিক সার (ডিএপি ১০ কেজি ও এমওপি ১০ কেজি)।

প্রধান অতিথি মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদুর রহমান বলেন, বর্তমান সরকার কৃষিবান্ধব সরকার। আউশ ধানের আবাদ বাড়াতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ব্রি ধান-৯৮ উচ্চ ফলনশীল এবং রোগবালাই সহনশীল হওয়ায় এটি চাষাবাদ করলে কৃষকরা অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবেন। এই প্রণোদনা ক্ষুদ্র কৃষকদের আউশ চাষে আরও আগ্রহী করে তুলবে।

এএন