পেট্রল আছে, যানবাহন নেই: অলস সময় কাটাচ্ছেন পাম্প কর্মীরা

আমার সংবাদ ডেস্ক প্রকাশিত: এপ্রিল ২৭, ২০২৬, ০৮:৫৩ পিএম

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে ফুয়েল কার্ডের মাধ্যমে জ্বালানি তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে সাধারণ গ্রাহকদের মাঝে। তবে এর ঠিক বিপরীত চিত্র দেখা যাচ্ছে পেট্রল পাম্পগুলোতে। বর্তমানে পাম্পগুলোতে তেলের পর্যাপ্ত মজুত থাকলেও আগের মতো ক্রেতাদের ভিড় নেই। ফলে দীর্ঘ সময় অলস বসে থাকছেন পাম্পের কর্মচারীরা।

সোমবার বিকেলে ঘোড়াঘাটের বিভিন্ন পাম্প সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, কিছুদিন আগেও যেখানে শত শত মোটরসাইকেলের দীর্ঘ সারি ছিল, এখন সেখানে পুরো পরিবেশই ফাঁকা। 

প্রশাসনের কড়া নজরদারি ও ফুয়েল কার্ডের মাধ্যমে নির্ধারিত পরিমাণ তেল সরবরাহ নিশ্চিত করায় অনিয়ন্ত্রিত বিক্রি পুরোপুরি বন্ধ হয়েছে। এতে করে তেলের কৃত্রিম সংকটও কেটে গেছে।

ঘোড়াঘাট ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার আহাদ হোসেন জানান, বেচাকেনা আগের তুলনায় অনেক কমে গেছে। স্টোরেজ ট্যাংকে আগের তেলই শেষ হচ্ছে না, এর মধ্যে নতুন সরবরাহ আসার পথে। প্রায় সাড়ে ১১ হাজার লিটার পেট্রল আসার অপেক্ষায় আছে।

 বিক্রি না বাড়লে নতুন আসা তেল লরিতেই রেখে দিতে হবে, যা কর্তৃপক্ষের জন্য বাড়তি চাপ তৈরি করছে। সাধনা ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, আগে যেখানে প্রতিদিন তিন হাজার লিটারের বেশি তেল বিক্রি হতো, এখন সেই পরিমাণ বিক্রি করতে ৪-৫ দিন সময় লাগছে।

ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুবানা তানজিন জানান, ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা চালুর ফলে জ্বালানি সরবরাহে স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা ফিরে এসেছে। বর্তমানে তেলের কোনো ঘাটতি নেই এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত তদারকি অব্যাহত রয়েছে।

জেএইচআর