গাইবান্ধার সাঘাটায় করতোয়া প্রতিনিধি জয়নুল আবেদীনকে সম্প্রতি প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার ঘটনায় কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. হাবিবুল্লাহর বিরুদ্ধে তদন্ত করতে দুই সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটির সদস্যরা হলেন- গাইবান্ধা সদর উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মো. খায়রুল ইসলাম ও পলাশবাড়ী উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মোছা. রাবেয়া বেগম।
সাংবাদিককে হুমকির ঘটনায় ওই প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে সাঘাটা থানায় একটি জেনারেল ডায়েরি (জিডি) দায়ের করা হয়েছে। এর আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় হুমকির একটি অডিও ক্লিপ ভাইরাল হলে স্থানীয় সাংবাদিক মহলসহ বিভিন্ন সচেতন মহল বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ জানায়। পরে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় এ নিয়ে খবর প্রকাশ হলে প্রথমে জেলা ও পরে বিভাগীয় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের বিষয়টি নজরে আসে। এরই প্রেক্ষিতে গত বৃহস্পতিবার প্রধান শিক্ষক মো. হাবিবুল্লাহর বিরুদ্ধে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা দপ্তর। এমনটি নিশ্চিত করেছেন গাইবান্ধা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শ্রী লহ্মণ কুমার দাস।
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শাহীন আলমের বিরুদ্ধে সরকারি বরাদ্দের অর্থ আত্মসাৎ ও বিদ্যালয়ে অনুপস্থিতির অভিযোগ এবং বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দ্বৈত ভর্তি-সহ নানা অনিয়মের বিষয়ে তথ্য সাংবাদিকের হাতে আসে। এ বিষয়ে দৈনিক করতোয়া সাংবাদিক জয়নুল আবেদীন অনিয়মগুলো খতিয়ে দেখতে সাঘাটা উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহ আল শাফীকে মুঠোফোনে খুদে বার্তায় আহ্বান জানান। বিষয়টি ওই প্রধান শিক্ষক জানতে পারায় গত ২৭ এপ্রিল সোমবার বিকেলে ক্ষিপ্ত হয়ে সাংবাদিক জয়নুল আবেদীনকে মোবাইল ফোনে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজসহ প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করেন।
এএন