শিক্ষকের লালসায় ১২ বছরের ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা, স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিশুটি

আমার সংবাদ ডেস্ক প্রকাশিত: মে ৩, ২০২৬, ০৮:১৬ পিএম

নেত্রকোণার মদন উপজেলায় এক মাদরাসা শিক্ষকের লালসার শিকার হয়ে ১২ বছরের এক ছাত্রী সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম আমান উল্লাহ সাগর। তিনি স্থানীয় একটি মহিলা কওমি মাদরাসার পরিচালক।

এই ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর মা বাদী হয়ে গত বৃহস্পতিবার মদন থানায় মামলা দায়ের করেছেন। অভিযুক্ত সাগর উপজেলার পাঁচহার বড়বাড়ি গ্রামের বাসিন্দা। ঘটনার পর থেকেই তিনি সপরিবারে পলাতক রয়েছেন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে শিক্ষক সাগর ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন। বিষয়টি কাউকে জানালে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। শিশুটির মা কাজের প্রয়োজনে সিলেটে থাকায় সে নানির বাড়িতে থেকে ওই মাদরাসায় পড়ত।

সম্প্রতি শিশুটির শারীরিক পরিবর্তন ঘটলে বিষয়টি জানাজানি হয়। পরে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলে জানা যায়, শিশুটি প্রায় ২৭ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, শিশুটির শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

চিকিৎসকদের মতে, ১২ বছর বয়সী এই শিশুর ওজন মাত্র ২৯ কেজি এবং সে মারাত্মক রক্তশূন্যতায় ভুগছে। তার শরীরের গঠন অনুযায়ী স্বাভাবিক প্রসব প্রায় অসম্ভব। এটি মা ও গর্ভস্থ সন্তান উভয়ের জন্যই প্রাণঘাতী হতে পারে।

মদন থানার ওসি তরিকুল ইসলাম জানান, এই ঘটনায় মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে। অপরাধীর বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেএইচআর