জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও তথ্য গোপনের অভিযোগে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আবুল কালাম আজাদকে গ্রেপ্তার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
রোববার দিবাগত রাতে পাবনা সদর উপজেলার নিজ বাড়ি থেকে দুদকের একটি বিশেষ দল তাকে গ্রেপ্তার করে।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালে আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠলে অনুসন্ধানে নামে দুদক। ২০২৪ সালের মে মাসে তিনিসহ তার স্ত্রী মর্জিনা খাতুন ও ছেলে ফজলে রাব্বি রিয়নের বিরুদ্ধে সম্পদ বিবরণী জারির আদেশ দেওয়া হয়। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ১১ মার্চ দুদকের সহকারী পরিচালক সাধন চন্দ্র সূত্রধর বাদী হয়ে পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করেন।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী:
পিআইও আবুল কালাম আজাদ: তিনি ১ কোটি ৩২ লাখ ৪৬ হাজার টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন এবং সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন।
স্ত্রী মর্জিনা খাতুন: স্বামীর অবৈধ আয় দ্বারা ১ কোটি ৫৬ লাখ ৮৩ হাজার ৪৮৩ টাকা মূল্যের অবৈধ সম্পদ অর্জনে সহায়তা ও ভোগ দখলের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
ছেলে ফজলে রাব্বি রিয়ন: বাবার অবৈধ ১ কোটি ১৫ লাখ ৩৬ হাজার ৯৪১ টাকা মূল্যের সম্পদ ভোগ দখলের অভিযোগে তাকেও আসামি করা হয়েছে।
পাবনা কার্যালয়ের দুদকের সহকারী পরিচালক সাধন চন্দ্র সূত্রধর জানান, সুনির্দিষ্ট মামলার ভিত্তিতে রবিবার রাতে আবুল কালাম আজাদের পাবনার বাসভবনে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। সোমবার তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে বিজ্ঞ আদালত তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
বর্তমানে শাহজাদপুর উপজেলায় কর্মরত এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর বিভিন্ন ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে। এই ঘটনা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
জেএইচআর