ত্রাণমন্ত্রী

বজ্রপাতের ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনতে বজ্রনিরোধক দণ্ড স্থাপন করা হবে

সাইফুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম প্রকাশিত: মে ১০, ২০২৬, ০৫:৪৩ পিএম

উত্তরের চরাঞ্চলসহ হাওর অঞ্চলে বজ্রপাতের ঘটনা বৃদ্ধি পাওয়ায় অনেক প্রাণহানি ঘটছে। এর ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনতে কৃষকদের আশ্রয়স্থল নির্মাণ ও বজ্রনিরোধক দণ্ড স্থাপন করা হবে যাতে মানুষের প্রাণহানি না ঘটে। 

রোববার দুপুরে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার হলোখানা ইউনিয়নে দাশের হাটের ছড়া হতে এসিল্যান্ড সংযোগ খাল পর্যন্ত ২ কিলোমিটার খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধনকালে ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এমপি এসব কথা বলেন।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের যুগান্তকারী কর্মসূচি ছিল খাল খনন। পানি সেচের মাধ্যমে পানি ধরে রাখা, খালের পাশে গাছ ও মাছ চাষের মাধ্যমে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার পরিকল্পনা করেছিলেন। ফলে দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছিল। দীর্ঘদিন পর বিএনপি পুনরায় ক্ষমতায় এসে আবারও খাল খনন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, চলতি বছর ১৫শ কিলোমিটার এবং আগামী ৫ বছরে মোট ৭ হাজার কিলোমিটার খাল খননের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে। পাশাপাশি আগামী ৫ বছরে দেশে ২০ কোটি গাছ রোপণ করা হবে বলেও জানান।

এসময় ত্রাণমন্ত্রী আরও বলেন, বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের অঙ্গীকার রয়েছে। সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সরকার ইতোমধ্যে কার্যক্রম শুরু করেছে। প্রধানমন্ত্রী নিজে কোদাল দিয়ে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন, যার মাধ্যমে সারাদেশে একযোগে এই উদ্যোগ চালু হয়েছে।

খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে এক সংক্ষিপ্ত সুধী সমাবেশে তিনি বক্তব্য রাখেন। এসময় জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদ প্রশাসক আলহাজ্ব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজার রহমান, যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম বেবু ও অধ্যাপক হাসিবুর রহমান হাসিব প্রমুখ।

এর আগে তিনি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন করেন। পরে খাল খনন কর্মসূচি শেষে কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।

এএন