গুরুদাসপুরে মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা, গ্রেপ্তার ১

গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি প্রকাশিত: মে ১৬, ২০২৬, ০৩:০৪ পিএম

নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলায় জমিজমা ও লিচু গাছের মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধকে কেন্দ্র করে মারধর, কুপিয়ে জখম এবং হত্যাচেষ্টার অভিযোগে থানায় মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ একজনকে গ্রেপ্তার করেছে এবং অন্যান্য অভিযুক্তদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, উপজেলার বিয়াঘাট ইউনিয়নের কুমারখালী গ্রামের বাসিন্দা মো. জফির সরদার থানায় মামলাটি করেন। এতে একই এলাকার একাধিক ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়, জমি ও লিচুগাছ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বহুদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এর ধারাবাহিকতায় শনিবার সকালে একদল ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বাদীর লিচু বাগানে হামলা চালায়। এ সময় বাদীর পরিবারের সদস্য-ছোট ভাই, স্ত্রী ও ছেলে-মারধরের শিকার হন এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করা হয়।

আহতদের গুরুদাসপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক জানান, আহত নার্গিসের মাথায় সাতটি সেলাই এবং নাছেরের হাতে তিনটি সেলাই দিতে হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত পেয়েছেন এবং চিকিৎসাধীন আছেন।

বাদীপক্ষের দাবি, হামলাকারীরা হাসুয়া, লোহার রড ও লাঠিসোঁটা নিয়ে বসতবাড়িতে ভাঙচুর চালায় এবং প্রাণনাশের হুমকিও দেয়। স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব হয়।

অন্যদিকে অভিযুক্ত পক্ষের মো. শামসুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে লিচু সংগ্রহকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে এবং উভয় পক্ষই আহত হয়েছে। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ন্যায়বিচারের দাবি জানান।

গুরুদাসপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, এ ঘটনায় মো. জাকির হোসেন নামের একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের ধরতে অভিযান চলছে এবং তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এম জি